২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ধারাবাহিকভাবে কমছে সাবমেরিন কেবলের দর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) শেয়ার দর ৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে। এতে দরপতনের সাপ্তাহিক তালিকায় তিন নম্বরে চলে আসে টেলিযোগাযোগ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যান্ডউইডথ রফতানি, সক্ষমতা উন্নয়নের মতো ইতিবাচক পদক্ষেপ সত্ত্বেও মুনাফা কমে যাওয়ায় এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিএসসিসিএল। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৬ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৪২ পয়সা।

বর্তমানে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৬ টাকা ৯১ পয়সা। এর আগে ২০১৩ সালে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা ও এনএভিপিএস ৩০ টাকা ৩৩ পয়সা। ১৮ অক্টোবর কক্সবাজারের সায়মন বিচ রিসোর্টে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে বিএসসিসিএল শেয়ারের দর ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১১১ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের দর ৮৯ থেকে ১৭৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

এদিকে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের বাজারে ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি। এছাড়া ভারতের ত্রিপুরায় ১০ গিগাবাইট অব্যবহৃত ব্যান্ডউইডথ রফতানির পরিকল্পনাও অপরিবর্তিত আছে। ভারতীয়দের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে, আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ত্রিপুরা অঞ্চলে যাবে বিএসসিসিএলের ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইডথ। তা থেকে প্রতি বছর কোম্পানি প্রায় ১০ কোটি টাকা আয় করবে। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও বেশি ব্যান্ডউইডথ রফতানির সম্ভাবনা আছে। চুক্তিতেও এর সুযোগ রাখা হয়েছে। ২০১২ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় বিএসসিসিএল। বর্তমানে ১ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে কোম্পানির মোট ১৪ কোটি ৯৯ লাখ ১৪ হাজার ১০০টি শেয়ার রয়েছে।