২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ক্রিকেটাররা খেলার মধ্যেই থাকবে ॥ আকরাম

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আগস্ট থেকে আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক কোন ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে না। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ না হওয়ায় প্রায় ৫ মাসের বিরতিতে পড়ে গেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। এ সময়টিতে তাই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। মুশফিক, সাকিব, তামিমদের তাই বসিয়েও রাখতে রাজি নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। খেলার মধ্যেই রাখতে চায়। তাই তো জাতীয় ক্রিকেট লীগের দ্বিতীয় রাউন্ডেই খেলছেন তারা। টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খানই বলে দিলেন, ‘খেলোয়াড়রা খেলার মধ্যেই থাকবে।’ জানিয়েছেন, ‘লম্বা বিরতি বলতে এই সিরিজটা (অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ) হয় নাই। এরপর কিন্তু জিম্বাবুইয়ে (জানুয়ারিতে আসবে) আসছে। এর মধ্যে কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হচ্ছে। জাতীয় লীগের পরই বিপিএল শুরু হবে। তারপর বিসিএল আছে, ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ আছে। খেলোয়াড়রা সবাই খেলার মধ্যেই থাকবে। আর যারা ভারত সফরে গিয়েছিল, এই সিরিজটা আমাদের ভাল হয় নাই। এই দলের যারা ভাল করতে পারেনি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে ফর্মে ফিরে আসার ভাল একটা সুযোগ পাচ্ছে।’

অস্ট্রেলিয়া না আসায় জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা জাতীয় লীগে খেলছে। জাতীয় লীগের বেশিরভাগ ম্যাচ খেলছে জাতীয় তারকা ক্রিকেটাররা, এমনটি খুব হয় না। এবার সেটি হবে। আকরাম বলেন, ‘আমি মনে করি যারা জাতীয় দলে খেলবে বা ভবিষ্যতে খেলার সম্ভাবনা আছে তাদের জন্য এটা বড় সুযোগ। ভাল খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। যারা জাতীয় দলের বাইরে আছে তাদের মনোবলটা অনেক ভাল থাকবে। সাকিবের বিপক্ষে রান করা বা ভাল ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বোলিং করা, এটা হলে অনেক কিছু শিখতে পারবে।’ অস্ট্রেলিয়া না আসতে খুব খারাপ হয়েছে বলেই আকরামের মত, ‘আমি মনে করি অস্ট্রেলিয়া না আসাতে খুব খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশ ওয়ানডেতে অনেক ভাল করছিল। টেস্টেও ভাল করতে শুরু করেছিল। আমি জানি অস্ট্রেলিয়া আমাদের চেয়ে অনেক ভাল দল। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের ভাল করার একটা সুযোগ ছিল। টেস্টে ভাল করলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুনাম আরও ভাল হতো। এবং ভবিষ্যতে আমরা আরও টেস্ট খেলার সুযোগ পেতাম।’ চলতি মাসের ২৪ তারিখ থেকেই অনুর্ধ ১৯ দলের লঙ্গারভার্সন ক্রিকেট আয়োজনের পরিকল্পনাও আছে টুর্নামেন্ট কমিটির। এবং সেটি ফ্র্যাঞ্জাইজিভিত্তিক করার চেষ্টাও চলছে বলে জানালেন আকরাম খান, ‘জাতীয় লীগ শেষ হলে আমাদের বিপিএল আছে। এবং এই মাসের ২৪ তারিখ থেকে আমরা চট্টগ্রামে অনুর্ধ ১৯ দলের লঙ্গারভার্সন আয়োজন করতে যাচ্ছি। এটা প্রথমবারের মতো হচ্ছে। এটা বিসিএলের মতোই। আট বিভাগকে আমরা চারটা অঞ্চল বানিয়ে আমরা ওখানে খেলব। আশা করছি এখান থেকে ভাল ভাল টেস্ট খেলোয়াড় পেতে পারি ভবিষ্যতের জন্য। আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক করার চেষ্টা করছি। এবার না পেলেও ইনশাল্লাহ পরবর্তী সময় থেকে আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজি পাব। এখনও ৫০ ভাগ সম্ভাবনা আছে স্পন্সর পাওয়ার। তো আমরা চেষ্টা করছি।’

অস্ট্রেলিয়া না আসার বিষয়ে বলতে গিয়ে আকরাম জানিয়েছেন, ‘আমার মনে হয় অস্ট্রেলিয়া যে অজুহাত দেখিয়েছে, এটা আসলে অবাক হওয়ার মতো। ২০১৪ তে দেশের অবস্থা ভাল ছিল না। তার মধ্যে আমরা কত সুন্দর করে সফলভাবে টুর্নামেন্ট করতে পেরেছি। আমার মনে হয় ওই রেপুটেশনেই আমাদের যাচাই করা উচিত ছিল। আমার মনে হয় না এমন কিছু হতে পারে।’ জাতীয় লীগে বিদেশী একটা কোটা রাখা হয়েছে। আকরাম বলেন, ‘হ্যাঁ আমরা এমন একটা ধারা রেখেছি। এখন এটা নির্ভর করে বিভাগের ওপর। তাদের সুযোগ দিয়েছি। তারা চাইলে আনতে পারে।’