১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৩৫তম বিসিএস প্রিলি উত্তীর্ণ ৮৭৫ প্রার্থীর কাছে কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে ৮৭৫ জন প্রার্থীর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়েছে সরকারী কর্মকমিশন (পিএসসি)। রবিবার পিএসসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিপিএসসি ফরম-২ এর সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকায় আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে তাদের কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্টদের তালিকা পিএসসির ওয়েবসাইটে (িি.িনঢ়ংপ.মড়া.নফ) দেয়া হয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শেষ হবে আগামী ১০ অক্টোবর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগারগাঁওয়ে পিএসসি সচিবালয়ে পরিচালক (ক্যাডার), বিসিএস পরীক্ষার দফতরে কাগজপত্র জমাদানে ব্যর্থ হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলে জানিয়ে পিএসসি। এর আগে আবেদনপত্র জমা না দেয়া ও ভুলের কারণে একই বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রার্থীদের মধ্যে ৪১৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল সরকারী কর্মকমিশন (পিএসসি)। বাতিল হওয়া সেই প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়। নতুন নিয়মে এবার সর্বোচ্চ দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন প্রার্থী নিয়ে গত ৬ মার্চ ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৮ এপ্রিল ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে পিএসসি, যাতে উত্তীর্ণ হয় ২০ হাজার ৩৯১ জন। নতুন নিয়মে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে চার ঘণ্টা, আর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে তিন ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায় গড় পাস নম্বর ন্যূনতম ৫০ শতাংশ। কোন প্রার্থী ৩০ নম্বরের কম পেলে তিনি উক্ত বিষয়ে কোন নম্বর পাননি বলে গণ্য হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় একইভাবে পাস করতে হবে। বিসিএস বিধিমালা সংশোধনের পর নতুন নিয়ম ও সিলেবাসে ২০০ নম্বরে দুই ঘণ্টার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়া হয়। আগে ১০০ নম্বরে এক ঘণ্টা প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো।

৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিউএপি আহ্বান ইউজিসির ॥ আইকিউএসি প্রতিষ্ঠার জন্য কোয়ালিটি এসিউরেন্স প্রপোজাল (কিউএপি) আহ্বান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। রবিবার ইউজিসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এ প্রপোজাল আহ্বান করা হয়। কর্মশালার আয়োজন করে ইউজিসির কোয়ালিটি এসিউরেন্স ইউনিট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহাম্মাদ মোহাব্বত খান, উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য ড. আবুল হাশেম, ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা ও ড. দিল আফরোজা বেগম, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ড. মোখলেছুর রহমান, উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক সোহেল আহমেদ, কিউএইউ’র প্রধান ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, কিউএ স্পেশালিস্ট সঞ্জয় কুমার অধিকারী প্রমুখ। ড. মোহাম্মাদ মোহাব্বত খান বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বমানের গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে হবে। উচ্চশিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মুখ্য ভূমিকা পালন করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।