২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরিয়ায় বিমান হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া

রাশিয়া শনিবার বলেছে, তারা সিরিয়ায় বিমান অভিযান জোরদার করেছে। মস্কো বলেছে, এ সামরিক হস্তক্ষেপ জোরদারে ইসলামিক স্টেট (আইএস) দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিন্তু পাশ্চাত্যের দেশগুলো বলেছে, রাশিয়ার এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সহায়তা করা। খবর ওয়েবসাইটের।

শীর্ষপর্যায়ের এক রুশ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক রুশ জেট বিমানগুলো সিরিয়ায় ৭২ ঘণ্টায় ৬০ বারের বেশি আকাশে চক্কর দিয়েছে। রুশ আর্মি জেনারেল স্টাফের আদে্রঁই কার্তাপোলভ বলেছেন, আমরা কেবল বিমান হামলা চালিয়েই যাব না, তার তীব্রতাও বাড়াব। সিরিয়ায় রাশিয়ার বিমান অভিযানের তীব্র সমালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী দেশগুলো, অথচ মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট সিরিয়ায় চার বছরের গৃহযুদ্ধে জড়িত হয়ে পড়েছে এর মধ্যেই এবং চালিয়ে যাচ্ছে বিমান হামলা। ইরাকে আমেরিকার ব্যয়বহুল যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক প্রতিশ্রুতির প্রতি সতর্ক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তিনি নড়বড়ে এক একনায়ক মিত্রকে রক্ষা করছেন এবং একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সিরিয়ায় রাশিয়ার ২০টি বিমান হামলার মধ্যে মাত্র ১টি চরমপন্থী আইএস জঙ্গীদের লক্ষ্যবস্তুতে চালানো হয়েছে। আইএস সিরিয়ার পূর্বাঞ্চল ও ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। মন্ত্রী মাইকেল বলেন, বেসামরিক এলাকায় এবং পাশ্চাত্য আসাদের ও উপসাগরীয় দেশগুলো সমর্থিত শত্রুদের ওপর অনিয়ন্ত্রিত গোলাবর্ষণ করেছে। রাশিয়া বলেছে, তাদের বিমান অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে আইএসের লক্ষ্যবস্তু। কার্তাপোলভ বলেন, মেইসিম বিমান ঘাঁটি থেকে বিমানগুলো উড়ে গিয়ে সিরিয়ার পুরো অভ্যন্তরে এ অভিযান চালিয়েছে। আমরা তিন দিনে সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে সমর্থ হয়েছি এবং তাৎপর্যপূর্ণভাবে তাদের সামরিক সম্ভাব্যতা খর্ব করেছি।

ব্রিটিশভিত্তিক সিরীয় অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, রুশ বিমান হামলা বুধবার শুরু হওয়ার পর কমপক্ষে ৩৯ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। সংস্থা বলেছে, ১৪ জন যোদ্ধাও নিহত হয়েছে এবং এদের মধ্যে বেশির ভাগ আইএসের জঙ্গী। এক সিরীয় সামরিক সূত্র বলেছে, রুশ ও সিরীয় বিমানগুলো হামা প্রদেশে লাতামনেহয়ে একটি কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করে দিয়েছে। এখানে পাশ্চাত্য সমর্থিত বিদ্রোহীরা তাদের তৎপরতা চালিয়ে আসছে। তারা মারাত আল-নুমানে একটি প্রশিক্ষণ শিবির ও অস্ত্র গুদামে এবং জিসর আল শুগৌরয়ে গোলাবারুদের কয়েকটি গুদামেও বোমাবর্ষণ করেছে।