২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাদি উপস্থিত না হওয়ায় গেস্খফতারি পরোয়ানা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত না হওয়ায় পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির মামলার বাদির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং মামলার আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন পুঁজিবাজার মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক হূমায়ুন কবীর এ আদেশ দেন।

২০০০ সালের সৌদি বাংলাদেশ ইন্ডাষ্ট্রিয়াল অ্যান্ড এগ্রিকালচার ইনভেষ্টমেন্ট (সাবনিকো) শেয়ার কেলেঙ্কারী মামলার বাদি ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক মাহবুবুর রহমানের সাক্ষ্য প্রদানের জন্য সোমবার পূর্বনির্ধারিত তারিখ ছিল।

আদালতে মাহবুবুর রহমান উপস্থিত না হওয়ায় বিএসইসির আইনজীবী মাসুদ রানা সময় চেয়ে আবেদন করেন। শেয়ার কেলেঙ্কারীর ঘটনায় দায়েরকৃত কয়েকটি স্থগিত মামলার বিষয়ে মাহবুবুর রহমান হাইকোর্টে গিয়েছেন বলে বাদি পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানিয়ে সময়ের প্রার্থনা করেন।কিন্তু আদালত এই যুক্তিকে সন্তোষজনক মনে না করে সময় আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং বাদির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অপরদিকে আসামীর আইনজীবীর আবেদেনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলার আসামী ও সাবিনকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কুতুব উদ্দিন আহমেদের জামিন মঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আদালতের রায়ের পর বিএসইসির আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, পুঁজিবাজার কারসাজির অভিযোগে দায়েরকৃত স্থগিত মামলার বিষয়ে মাহবুবুর রহমান হাইকোর্টে গিয়েছেন। যে কারনে তিনি আদালতে আসতে পারেননি। তাই সময় চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত তা নামঞ্জুর করে ওয়ারেন্ট জারি করেছে।

সাবনিকোর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ কুতুবউদ্দিনের আইনজীবী এস,এম আবুল কালাম বলেন, আমরা আসামীর জামিন আবেদন করেছিলাম এবং আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। আদালতে অন্যান্যদের মধ্যে আসামী মোঃ কুতুবউদ্দিন আহমেদ ও বিএসইসির উপ-পরিচালক এ এস এম মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের জুন থেকে জুলাই সাবনিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কিছু কর্মকর্তা ব্যাক্তিগত অসৎ উদ্দেশ্যে অর্জনের জন্য বিভিন্ন ব্রোকারস হাউজে শেয়ার লেনদেন করতেন। একইদিনে বিভিন্ন ব্রোকারস হাউসে শেয়ার কিনতেন এবং একই শেয়ার অন্য ব্রোকারস হাউসের মাধ্যমে বিক্রয় করতেন। তিনি ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে সাবনিকোর আনসীল ফান্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির জন্য শেয়ার কিনতেন। এই শেয়ার ক্রয়ের উদ্দেশ্য ছিল কিছু কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ানো।

এদিকে সোমবার প্লেসমেন্ট শেয়ার কেলেঙ্কারীর নবীউল্লাহ নবীসহ ৩জনের অপর মামলায় ৫জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা হয়েছে। এ মামলার আসামিরা হলেন- গ্রিন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানিসহ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শামীম। ২০১৩ সালের জুন মাসে নবীউল্লাহ নবী ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে মারা যান।

এই মাত্রা পাওয়া