১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উৎসে কর ধার্য করার প্রতিবাদে বীজ ধান না তোলার সিদ্ধান্ত

  • উত্তরবঙ্গ বীজ ডিলারদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

রাজু মোস্তাফিজ, কুড়িগ্রাম ॥ সরকার বিএডিসির বীজের উপর উৎসে কর ধার্য করার প্রতিবাদে উওরবঙ্গ বীজ ডিলাররা দুই সপ্তাহ পর আগামী ইরি-বোর মৌসুমের বীজ ধান না তোলার সিন্ধান্ত নিয়েছে। এবং বীজের উপর উৎসে কর বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীসহ প্রতিটি জেলায় নানা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন চলতি বীজ মৌসুমে বীজ ডিলারররা এ ধরনের কঠিন সিন্ধান্ত নিলে চরম দুর্ভোগে পড়বেন কৃষকরা। এ অঞ্চলে ফলন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের মতে, সরকার যেন দ্রত বীজ ডিলারদের সঙ্গে বসে এ সমস্যার সমাধান করে। এ ব্যাপারে রবিবার বিকেলে রংপুর সবজি বীজ গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের ৫টি আঞ্চলিক জোনের বিএডিসি বীজ ও সার ডিলার এ্যাসোসিয়েশনের ডিলাররা এক মতবিনিময় সভায় বীজ না তোলার সিন্ধান্ত নেয়।

জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিএডিসির মহাব্যবস্থাপক (বীজ) কর্তৃক প্রেরিত চিঠি যার স্মারক ২০০১১-৯৮ । চিঠিতে ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে বিএডিসির বীজের প্রাপ্ত কমিশনের উপর শতকরা ১০ ভাগ আয়কর প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হঠাৎ করে বীজের উপর উৎসে কর কর্তনের সিন্ধান্তে হতবাক হয়েছে বীজ ডিলাররা। এজন্য উত্তরাঞ্চলের ৫টি জোনের বীজ ডিলার নেতৃবৃন্দের জরুরী মতবিনিময় সভা ডেকেছে। রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ ডিলার সমিতির সভাপতি বাবলু মিয়া জানান, এমনিতেই বর্তমানে বীজ ব্যবসার অবস্থা খুব সংকটজনক। বিএডিসির বীজ ব্যবসায়ীদের উপর জোর করে উৎসে কর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে এটা আমরা কোনভাবেই মেনে নিব না। রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক সভাপতি আমিনুর রহমান জানান, সরকার যদি উৎসে কর বাতিলের সিন্ধান্ত না নেয় তা হলে আমরা দু, সপ্তাহ পর কোন বিএডিসি সেলস সেন্টার থেকে এক বস্তা বীজ উত্তোলন করব না। বগুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাইস চেয়ারম্যান তোসিবা মাস্টার জানান, এমনিতেই আমরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে সরকারকে আয়কর দেই। এটা মড়ার উপর খাঁরার ঘা। চলতি বীজ মোসুমে যদি সরকার বীজের উপর উৎসে কর বাতিল না করে তাহলে কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কারণ তারা সময়মত বীজ পাবে না। কারণ বীজ একটি নিদৃষ্ট সময় ফেলতে হয়।

কেন্দ্রীয় বীজ ও সার ডিলার এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন জানান, বীজের উপর উৎসে কর বাতিলের দাবিতে বিএডিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। যতদিন উৎসে কর বাতিল করবে না ততদিন সারা দেশে ইরি-বোর মৌসুমে বীজ উত্তোলন বন্ধ থাকবে।

নতুন সেবা কেন্দ্র নিয়ে গ্রাহকের আরও কাছাকাছি রবি

গ্রাহকের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে মালিবাগ, বনশ্রী, যাত্রাবাড়ী ও নরসিংদীতে রবি সেবা কেন্দ্র চালু করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

রবির নতুন সেবা কেন্দ্রগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন এখান থেকে গ্রাহক তার কাক্সিক্ষত সেবা বা পণ্য, যেমন : ভয়েস, প্রযুক্তি পণ্য, ভ্যালু এ্যাডেড সার্ভিস ও ডাটা বান্ডল গ্রহণ করতে পারেন। সঠিক সিম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্রগুলোতে নিয়মানুগভাবে নতুন গ্রাহককে সংযোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কোম্পানি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও রবি সেবা কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা রয়েছে অপারেটরটির।

এ চারটি কেন্দ্র ছাড়াও ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা এলাকায় ১১টি রবি সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। নতুন কেন্দ্রগুলো চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, সীতাকু-ু, রাউজান, চকোরিয়া, টেকনাফ ও চট্টগ্রাম ইপিজেডে এবং কুমিল্লায় কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ও চান্দিনায় চালু করা হয়েছে।