২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নওগাঁয় আরও ১০ ক্লিনিক সিল

  • অনিয়ম

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ৫ অক্টোবর ॥ নওগাঁয় আরও ১০টি প্রাইভেট ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের বেসরকারী ক্লিনিক সরেজমিন পরিদর্শনকারী দলের দাখিলকৃত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সোমবার জেলা সিভিল সার্জন অফিসের পক্ষে ক্লিনিকগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে জেলায় ১৫টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হলো। জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম মোজাহার হোসেন বুলবুল জানান, বেসরকারী ক্লিনিক পরিচালনা নীতিমালা লঙ্ঘনসহ সর্বক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্স না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অনুমোদনের চেয়ে অতিরিক্ত রোগি ভর্তি, নবায়ন না করাসহ নানা অনিয়ম করার অভিযোগে নওগাঁর সদর উপজেলার পার-নওগাঁর মহল্লার যমুনা ক্লিনিক, আহসান জেনারেল হাসপাতাল, জায়েদা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জমজম ক্লিনিক, বদলগাছি উপজেলার জাহানারা ক্লিনিক, মান্দার প্রসাদপুর মা ক্লিনিক, নিয়ামতপুরের আড্ডার মোড়ে আল আমিন ক্লিনিক, ধানসুড়ার মোড়ে হক ক্লিনিক, মহাদেবপুর উপজেলার লিমা ক্লিনিক ও ঘোষ এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া গত বুধবার পতœীতলা উপজেলার নজিপুর ইসলামিয়া ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আলফা হাসপাতাল ও কল্পনা ক্লিনিক এবং নিয়ামতপুর উপজেলার আড্ডারমোড় এলাকার সেবা ক্লিনিক এ্যান্ড নার্সিং হোম ও রেহানা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব ক্লিনিক বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে সোমবার জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সভাপতি-সম্পাদক বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অনার্স এ্যাসোসিয়েশন বরাবরে পত্র দেয়া হয়েছে। এর পরেও ওই সব ক্লিনিক চালু করার চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে এসব ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা করা হলেও সোমবার ক্লিনিকগুলো বহাল তবিয়তে চলতে দেখা গেছে। পতœীতলার ক্লিনিক মালিকদের একটি সূত্র জানায়, সিভিল সার্জন ক্লিনিকগুলো বন্ধ ঘোষণা করলেও গোপনে বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ চুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই গোপন চুক্তি সম্পাদন হলেই ক্লিনিকগুলো বন্ধ করার প্রয়োজন হবে না, এমন আশ্বাসও নাকি দেয়া হচ্ছে ওইসব ক্লিনিক মালিককে। তারা আরও অভিযোগ করেন, পতœীতলার শিরিনা ক্লিনিকসহ বেশ ক’টি বড় ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকাসহ বিস্তর অনিয়ম থাকলেও সিভিল সার্জন অজ্ঞাতকারনে ওইসব ক্লিনিকে প্রবেশ করেননি। এসব কারণে তারা সিভিল সার্জনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

নির্বাচিত সংবাদ