২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলবই

ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলবই
  • নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ প্রদত্ত দুই বিরল আন্তর্জাতিক পুরস্কার দেশের মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করে বলেছেন, বাংলার জনগণের জন্য আমি যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। দেশের এই স্বাধীনতাকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও লাখো শহীদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যেতে দেব না, যেতে পারে না। বাংলাদেশকে আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের বসবাসযোগ্য এবং ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবই।

সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে তাঁকে দেয়া জমকালো নাগরিক সংবর্ধনার জবাবে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি। আমরা কারও মুখাপেক্ষী কিংবা ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলতে চাই না। আমরা যুদ্ধ করে বিজয়ী বীরের জাতি। আমরা নিজেদের সীমিত সম্পদকে কাজে লাগিয়েই দেশের উন্নয়ন করব। সীমিত সম্পদকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের প্রকৃতি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং সবুজবেষ্টনী রক্ষা করব। ইতোমধ্যেই সারাবিশ্বে পরিবেশ রক্ষায় আমাদের গৃহীত উদ্যোগ দৃষ্টান্ত হিসেবে উঠে এসেছে।

এক অন্যরকম আবহে এবং জমকালো আয়োজনে হাজার হাজার নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ নাগরিক এই সংবর্ধনায় উপস্থিত থেকে ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছায় স্নাত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। জয়বায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখায় জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে এই নাগরিক সংবর্ধনা দেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানাতে বর্ণাঢ্যভাবে সজ্জিত করা হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা। তথ্যপ্রযুক্তির সম্মিলন ঘটিয়ে বসানো হয়েছিল বেশ কয়েকটি বিশাল বিশাল ডিজিটাল ব্যানারও। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র দু’ঘণ্টা আগে আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও মুষলধারে বৃষ্টিতে মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে যায় সবকিছু। বৃষ্টিতে দক্ষিণ প্লাজায় স্থাপিত বিশাল প্যান্ডেলের অনেকাংশ এবং সব ডিজিটাল ব্যানারই নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি, আবেগ-উচ্ছ্বাসে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজনে এতটুকু ছেদ ঘটাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত জমকালো আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা-ভালবাসা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় স্নাত করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠানস্থলে আসার আগেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্থাপিত সুবিশাল প্যান্ডেল। প্যান্ডেলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় জাতীয় সংসদের সামনের পুরো মানিক মিয়া এ্যাভিনিউ লোকেলোকারণ্য হয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে না পেরে হাজার হাজার মানুষকে মানিক মিয়া এ্যাভিনিউতে দাঁড়িয়েই পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়।

জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ শিক্ষাবিদ ইমেরিটাস প্রফেসর রফিকুল ইসলাম ও এলজিআরডিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাগরিকদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্নাত করেন ঢাকার দুই নগর পিতা। প্রধানমন্ত্রীকে উৎসর্গ করে লেখা মানপত্র পাঠ করেন দুই শিশু শ্রেষ্ঠা ও ব্রত। মানপত্র পাঠ শেষে দুই শিশু প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলে প্রধানমন্ত্রী তাদের কাছে টেনে নিয়ে আদর করেন। এরপর দুই মেয়র আনিসুল হক ও মোহাম্মদ সাঈদ খোকন প্রধানমন্ত্রীর হাতে সবুজের প্রতীক হিসেবে একটি বৃক্ষ তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সবচেয়ে মনোলোভা পর্বটিই ছিল ‘আর্থ প্যারেড’। এতে শতাধিক শিশু-কিশোর এমনকি অটিস্টিকসহ প্রতিবন্ধীরাও অংশ নিয়ে দেশাত্মবোধক এবং গ্রাম-বাংলার লোক সঙ্গীতের তালে তালে নেচে গেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। আর এই আর্থ প্যারেডে বাংলার লোকজ ঐতিহ্য, নাগরিক জীবন, গ্রাম-বাংলার জীবন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও উপজাতীয়দের জীবনসহ সুজলা-সুফলা, শষ্য-শ্যামলা আমাদের এই প্রকৃতিক বৈশিষ্ট্যময় চিত্র তুলে ধরেন শিশু-কিশোররা। শেষের দিকে প্রতিবন্ধীরা শিশুরা জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে নৃত্য পরিবেশ করলে প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে তাদের উৎসাহিত করেন।

গণসংবর্ধনার জবাবে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই দুই পুরস্কারসহ সকল অর্জনই আমি দেশবাসীর জন্য উৎসর্গ করেছি। কারণ এসব সফলতা ও অর্জন দেশবাসীরই প্রাপ্য। বৈরী আবহাওয়া ও মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তাঁর দেশে ফেরার মুহূর্তটি স্মরণ করে আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, সবাইকে রেখে আমরা দু’বোন জার্মানিতে গিয়েছিলেন। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে বাবা-মা, ভাইসহ সবাইকে হারিয়েছি। সব হারিয়ে ১৭ মে যখন দেশে ফিরি তখন রাজপথে থাকা লাখো মানুষের মধ্যে আমার বাবা-মা, ভাইদের খুঁজে বেরিয়েছি। কিন্তু কাউকে পাইনি। ছোট ভাই রাসেল ‘হাসু আপা’ বলে ছুটে আমার কাছে আসেনি। কিন্তু এদেশের মানুষের কাছ থেকেই আমি বাবা-মার ভালবাসা পেয়েছি।

তিনি বলেন, দেশে ফিরে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে দেশের মানুষের জন্য আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, দেশের গরিব-দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ও উন্নত জীবন দিতে কাজ করে গেছেন, আমি সেই দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবই। দেশে ক্ষুধা-দারিদ্র্য থাকবে না, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান হবে, সুন্দর একটি জীবন পাবে- এ লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা বিজয়ী জাতি। আর বিজয়ী জাতি কখনও মাথা নিচু করে চলতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য, যে আদর্শ ও লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, লাখো মানুষ শহীদ হয়েছেন, সেই বাংলাদেশকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলব। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নসাধ ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত করে বাংলাদেশকে গড়ে তুলব। আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নতুন প্রজন্মের জন্য বসবাসযোগ্য একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তিনি বলেন, যে উন্নয়নের কর্মসূচী আমরা হাতে নিয়েছি, তা যেন বাস্তবায়ন করে আমার এই ভূ-খ- বাংলাদেশকে যেন আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পরিণত করতে পারি, মানুষ যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে। আমাদের এই ভূখ-, আমার প্রতিজ্ঞা হলো সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলব। আজকে যারা শিশু তাদের জন্য বাসযোগ্য একটা দেশ করে দিয়ে যাব।

জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ৫৪ হাজার বর্গমাইলের দেশে ১৬ কোটি জনগণের বসবাস। তাদের মুখে আমাদের অন্ন জোগাতে হবে, বস্ত্র-বাসস্থান নিশ্চিত করতে হবে। দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করেই আমাদের বাংলাদেশকে উন্নত করতে হবে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র এক মিটার বৃদ্ধি পেলে দেশের কোটি মানুষ গৃহহারা হবে। কিন্তু সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষা করেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। তাই পরিবেশ রক্ষায় যা যা করার তার সবই আমরা করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতার এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর দুটি পছন্দের কবিতা আবৃত্তি করে বলেন, আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। নিঃস্ব আমি/ রিক্ত আমি/ দেবার কিছু নেই/ আছে শুধু ভালবাসা/ দিয়ে গেলাম তাই...। আমি বাবা বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে জনগণকে ভালবাসতে শিখেছি। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে আমি আমার জীবনকে উৎসর্গ করেছি। লাখো শহীদের রক্তকে আমরা বৃথা যেতে দেব না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আমরা বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে পৃথিবীতে অধিষ্ঠিত করবই। ‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী/ভয় নাই ওরে ভয় নাই/ নিঃশ্বেষে প্রাণ যে করিবে দান/ ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই’- এই কবিতা আবৃত্তি করে বক্তব্য শেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম তাঁর প্রিয় ছাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ধরিত্রির শ্রেষ্ঠা‘ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আজকে ধরিত্রির শ্রেষ্ঠাকে অভিনন্দন জানাই। দেশের মানুষ তাঁকে ভালবাসেন। তিনিও দেশকে ভালবাসেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈরী পরিবেশের মধ্যেও দেশের সকল সংকট মোকাবেলা করে শক্তহাতে শেখ হাসিনা দেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করি দাঁড় করিয়েছেন।

এলজিআরডিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী যে দুটি পুরস্কার অর্জন করেছেন সেটা তাঁর দৃঢ়তা, দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মেধার যোগ্যতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। বিশ্বের মধ্যে একমাত্র শেখ হাসিনাই প্রথম নিজস্ব তহবিল থেকে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় ৬শ’ কোটি টাকার একটি ফান্ড গঠন করেছিলেন। তাঁর এ পুরস্কার পরিবেশ প্রেমীদের আরও উৎসাহিত করবে। সারাবিশ্বের বাঙালীরা আজ শেখ হাসিনার জন্য গর্বিত। তাই আসুন জলবায়ুর ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাব মোকাবেলায় আমরা দলমত নির্বিশেষে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করি, বাংলাদেশকে একটি বাসযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলি।

সভাপতির ভাষণে মেয়র আনিসুল হক প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি বিশ্বজয়ী। আপনাকে ঢাকাবাসীর অভিনন্দন, দেশের মানুষের পক্ষে অভিনন্দন। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আপনি সেই জলবায়রু বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় যুদ্ধে নেমেছেন। আপনার নেতৃত্বে তৈরি হচ্ছে টেকসই বাংলাদেশ। যে অপ্রতিরোধ্যগতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ, তাতে আগামীতে পুরো দেশেই গড়ে উঠছে নগরী। নগরীকে সবুজ করে গড়ে তুলতে আমরা পাশে আছি, আপনি এগিয়ে যান। সবুজ নগরী গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন সবুজের জন্য প্রতিবছর একজন করে সবুজ মানুষ নির্বাচন করব।

স্বাগত বক্তব্যে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চ্যাম্পিয়ন্স দ্য আর্থ পুরস্কার পাওয়ায় দেশবাসী ধন্য হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে শেখ হাসিনা কাজ করে চলেছেন। আর একটি দল যারা আন্দোলনের নামে সবুজ বৃক্ষকেও হত্যা করে। ২০১৩ সালে সারাদেশে বিএনপি জামায়াত পরিকল্পিতভাবে গাছ ও প্রকৃতি হত্যায় নেমে পড়ে। প্রকৃতি ধ্বংসের জন্য বিশ্বে যদি কোন পুরস্কার দেয়া হয়, তাহলে বিএনপি হবে সেই পুরস্কারের চ্যাম্পিয়ন।