২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোহলি-শাস্ত্রীদের ওপর মনোহরের আস্থা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ডাইনোসর এন শ্রীনিবাসন এ্যান্ড গংদের হটিয়ে ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআই) প্রেসিন্ডেন্ট হিসেবে প্রয়াত জগমোহন ডালমিয়ার চেয়ারে এখন শশাঙ্ক মনোহর। দলের ভেতরে, বিশেষ করে কোচিং স্টাফ ও ম্যানেজমেন্টে পরিবর্তন আসবে না তো? ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আলোচিত প্রশ্ন এটি। তবে টেস্ট অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং অন্তর্বর্তী কোচ ও ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রীদের ওপরই আস্থা রাখছেন নতুন বিসিসিআই বস। পাশাপশি দুই মাসের মধ্যে আগাছা তুলে ফেলার আল্টিমেটামও দিয়েছেন পরিচ্ছন্ন ইমেজের অধিকারী মনোহর।

‘ওটা মোটেই আমার কাজ নয়। বোর্ড প্রশাসক, খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঙ্গে বিসিসিআইর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভালের জন্য এথিক্স অফিসার নিয়োগ দেয়া হবে।’ তার আগে সাধারণ সভায় সেক্রেটারি অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘টেনিসের সঙ্গে ক্রিকেটের কোন সম্পর্ক নেই। কোহলি-শাস্ত্রী ক্রিকেটের বাইরের কোন কর্মকা-ে জড়ালে তাতে বিসিসিআই’র আপত্তি থাকার কথা নয়।’ বিসিসিআই প্রধান মনোহর আরও বলেন, ‘আমার প্রথম কাজ বোর্ডের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার এবং ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনা। দুঃখজনক হলেও সত্যি, অনেকেরই ধারণা, বোর্ডের কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয় না। এই ‘ভুল’ ধারণা ভেঙ্গে দিতে প্রয়োজনে ভারতীয় ক্রিকেটের সংবিধানে পরিবর্তন আনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।’

সিমন্সের বোধোদয়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড (ডব্লিউআইসিবি) এবং জাতীয় নির্বাচকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন দেশটির সদ্য বরখাস্ত প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। শ্রীলঙ্কা সফরের দল নির্বাচনে নির্বাচকরা ‘বাইরের ইন্ধনে’ প্ররোচিত হয়েছেন- এমন মন্তব্য করে ফেঁসে যান তিনি। সিমন্সকে বরখাস্ত করে ডব্লিউআইসিবি। একই সঙ্গে তার কাছে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

বোধোদয় হওয়া সাবেক ক্যারিবীয় তারকা ও এক সময়ের আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের বস এখন নিজের মন্তব্যকে ‘স্কুল সুলভ পাগলামি’ বলে ক্ষমা চেয়ে বোর্ডের কাছে চিঠি লিখেছেন। সিমন্স লেখেন- ‘দল নির্বাচন নিয়ে বাইরে কথা বলার আমার কোন সুযোগ নেই। কোন অবস্থাতেই আমি এটা করতে পারি না। অতএব আপনাদের এবং সতীর্থ নির্বাচকদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’ তিনি আরও যোগ করেন- ‘আমি এটাকে কেবলমাত্র পাগলামির মুহূর্তের শিশুসুলভ আচরণের সঙ্গে অভিহিত করতে পারি। সত্যি বলতে এটা আমার চরিত্রের সঙ্গেও যায় না। তাই মনে হয়েছে, এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা চাইছি।’ ক্ষমা চাইলেও লঙ্কা সফরে দলের সঙ্গে সিমন্সের যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

নির্বাচিত সংবাদ