২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এসডিজি বাস্তবায়নে সোয়া কোটি প্রবীণকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাতিসংঘে গৃহীত নতুন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় দেশের ১ কোটি ২৫ লাখ প্রবীণ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকর্মীরা। তারা বলছেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রবীণদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। জরুরীভিত্তিতে এসব প্রবীণের দীর্ঘমেয়াদী সেবা দরকার। দেশের নগর ও শহরগুলো প্রবীণবান্ধব নয়। আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, হাসপাতাল, বিনোদন পার্ক নির্মাণে বয়স্কদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া হয় না। গণপরিহনে শিশু ও নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের সীমিত সুবিধা থাকলেও প্রবীণদের জন্য তা নেই। এসডিজি অর্জনে এসব বিষয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা এবং পিতা-মাতা ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩ দ্রুত কার্যকর করা প্রয়োজন।

সোমবার রাজধানীর শ্যামলীতে আশা ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স হলে ‘নগর পরিবেশে প্রবীণদের অন্তর্ভুক্তি সুনিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তারা এসব কথা বলেন। একটি এনজিও সংগঠনের আশা’র সহযোগিতায় ফোরাম ফর দ্য রাইটস অব এল্ডারলি-বাংলাদেশ (এফআরই-বি) এ বৈঠকের আয়োজন করে। প্রবীণদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে এমন বেশ কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করেন। এফআরই-বির সভাপতি ড. কেএম রশিদের (৮৬) সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সফিকুল হক চৌধুরী। বক্তব্য রাখেনÑ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক উল ইসলাম, এফআরই’র সহ-সভাপতি ড. এম কবির, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসিব খান, ফেরদৌস আরা, মেজর জেনারেল (অব) জীবন কানাই দাশ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হীলের চেয়ারপার্সন জেবুন নেসা, বয়স্ক কল্যাণ সমিতির সভাপতি খায়রুল কবির প্রমুখ।