১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গোবিন্দগঞ্জে সাম্য হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

গোবিন্দগঞ্জে সাম্য হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান সরকারের পুত্র আশেকুর রহমান সাম্য’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মঙ্গলবার স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে সাম্য মঞ্চে’র উদ্দেগ্যে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশের আগে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল সহকারে শত শত মানুষ সমাবেশে এসে যোগ দিতে থাকে। পরে সাম্য মঞ্চের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ছানোয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, নিহত সাম্য’র পিতা পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য বিপ্লব চাকী, ওয়ার্কাস পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপসহ বিভিন্ন প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীদের মধ্যে ময়নুল হক সরকার, নাজমুল ইসলাম লিটন, কামরুল হাসান ফাহিয়ান, আতাউর রহমান বাবলু, আরজ আলী, রফিকুল ইসলাম রফিক, শরিফুল ইসলাম তাজু, আ,ফ,ম মজিবুর রহমান ফুল মিয়া, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান সরকারের একমাত্র পুত্র আশিকুর রহমান সাম্য (১৬) কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পৌর মেয়রের ৬নং ওয়ার্ডের ঘোষপাড়াস্থ বাড়ি থেকে তার বন্ধু ও সহপাঠি গোবিন্দগঞ্জের বর্ধনকুঠি এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে শাহরিয়ার খান হৃদয় ডেকে নিয়ে যায়। এর ১৪ ঘণ্টা পর কমিউনিটি সেন্টারের পিছন থেকে শুক্রবার সকালে তার হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র।

এব্যাপারে পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে তাৎক্ষনিক তার বন্ধু হৃদয়, রাবেয়া, রুনা, সুজন, রফিকুল, আল-আমিন, জাকির হোসেন, শিমুলকে আটক করেছে। পিতা পৌর মেয়র আতাউর রহমান বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ওই খুনের মূল পরিকল্পনাকারি হিসেবে পৌর কাউন্সিলর জয়নাল আবেদিনসহ ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে। এদিকে এই নির্মম খুন ও এর মূল পরিকল্পনাকারি পৌর কাউন্সিলর জয়নাল আবেদিনসহ অন্য ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ পলাতক আসামিকে এখন গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।