১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি গঠনে খসড়া আইন অনুমোদন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি গঠন সংক্রান্ত খসড়া আইন নিরীক্ষাপূর্বক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এছাড়া খসড়া আইনটির ওপর স্টেকহোল্ডারদের মতামত নেয়ার জন্য তাদের কাছে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা বিভিন্ন সংযোজন বিয়োজন করে আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে বিএসইসি।

মঙ্গলবার বিএসইসির অনুষ্ঠিত ৫৫৫তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো: সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, উপমহাদেশের দেশগুলোতে পূর্ণাঙ্গরূপে ক্লিয়ারিং কর্পোরেশন বা কোম্পানি নেই। ফলে ভারত কিংবা পাকিস্থানে সফর করার চিন্তাভাবনা থাকলেও পরবর্তিতে তা বাতিল করা হয়। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে সিকিউরিটিজ বা কমোডিটি ক্লিয়ারিং এর কাজ আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান না করে বরং দেশটির সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মাধ্যমেই করা হয়। কিন্তু বিএসইসি স্বতন্ত্রভাবে ক্লিয়ারিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে। দেশের পুঁজিবাজারে বর্তমানে শুধুমাত্র সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। ফলে স্বতন্ত্রভাবে ক্লিয়ারি করপোরেশন গঠনের কোনো প্রয়োজনীয়তা ছিল না। এতোদিন ক্লিয়ারিংয়ের এর কাজ স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করেছে।

অন্যদিকে, বিএসইসি সাম্প্রতিক সময়ে ফিউচার ট্রেড এর পাশাপাশি কমোডিটি মার্কেট এবং ডেরিভেটিভ মার্কেট চালু করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। আর এসব নতুন ফিচার চালু করার জন্য সিডিবিএল বা স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর এককভাবে নির্ভর না করে আলাদা ক্লিয়ারিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন বিএসইসি’র উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

ক্লিয়ারিং কোম্পানি বা কর্পোরেশন মূলত সিকিউরিটিজ বা কমোডিটির লেনদেন সেটেলমেন্ট করে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ক্লিয়ারিং কোম্পানি বায়ারদের জন্য সেলার এবং সেলারদের জন্য বায়ার হিসেবে কাজ করবে। ডিমিউচুয়ালাইজড এসব ক্লিয়ারিং কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনায় পৃথক ও স্বতন্ত্র জনবল কাঠামো থাকবে। এ প্রতিষ্ঠানে দুটি ক্যাটাগরি থাকবে। একটি ক্যাটাগরি ট্রেডিং মেম্বার হিসেবে এবং অপরটি ক্লিয়ারিং মেম্বার হিসেবে কাজ করবে। এসব ট্রেডিং ও ক্লিয়ারিং মেম্বাররা কোনো ব্রোকারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে না। এ ছাড়া ক্লিয়ারিং কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের নির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেয়া হবে।