১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পেটেন্ট সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরে ইতিবাচক বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভবিষ্যত প্রজন্মের মেধাসম্পদ সুরক্ষায় পেটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটি ও মাদ্রিদ প্রোটোকল স্বাক্ষরে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। কারণ জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেধাসম্পদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশের মেধাসম্পদ সম্পর্কিত আইন ও বিধিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগী করেছে বলে জানিয়েছেন শিল্প সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সোমবার অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার (ডব্লিউআইপিও) সদস্য দেশগুলোর সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ৫৫তম বার্ষিক নীতি-নির্ধারণী সভায় এ সব কথা বলেন শিল্প সচিব। অনুষ্ঠানে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার মহাপরিচালক ফ্রান্সিস গারিসহ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। শিল্প সচিব বলেন, বাংলাদেশে সৃজনশীল উদ্ভাবকদের মেধাসম্পদ সুরক্ষা, মেধাসম্পদ সম্পর্কিত ডাটাবেজ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তায় এরই মধ্যে দুটি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের মেধাসম্পদ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রদান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্র দুটি মডেল হতে পারে। এ ছাড়া তিনি ২০১১ সালের ইস্তাম্বুল ঘোষণা অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মেধাসম্পদের উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির তাগিদ দেন। প্রসঙ্গত, ১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এ সভা ১৪ অক্টোবর শেষ হবে। এতে শিল্প সচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে।

পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস্ অধিদফতরের (ডিপিডিটি) রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সানোয়ার হোসেন প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছেন। সম্মেলনে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে ভারত এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) পক্ষে বেনিন বক্তব্য তুলে ধরে। এতে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সদস্যভুক্ত ১৮৮টি দেশের প্রতিনিধিরা সংগঠনের চলমান কর্মসূচী পর্যালোচনা করে বিশ্বব্যাপী মেধাসম্পদের উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী দিনের জন্য টেকসই কর্মকৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন।