২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ম্যানইউর প্রধান কোচ হতে পারতেন গিগস ॥ ফার্গুসন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ক্যারিয়ারের শেষ কিছুদিন খেলোয়াড় থাকার পাশাপাশি কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন রায়ান গিগস। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দীর্ঘদিনের কোচ স্যার এ্যালেক্স ফার্গুসন অবসরে যাওয়ার পর রেড ডেভিলদের প্রশিক্ষক ছিলেন অভিজ্ঞ গিগস। তবে বর্তমানে গিগস ডাচ্ কোচ লুইস ভ্যান গালের কোচিং স্টাফের একজন সদস্য হিসেবে আছেন ম্যানইউতে। কিন্তু স্যার ফার্গুসন মনে করেন যদি গিগস আরও আগেই অবসর নিতেন সেক্ষেত্রে এখন ম্যানইউর প্রধান কোচ হিসেবেই থাকতেন। স্যার ফার্গি এমন মন্তব্য করেছেন তার ওপরে নির্মিতি একটি ডকুমেন্টারি ‘স্যার এ্যালেক্স ফার্গুসন : সিক্রেটস অব সাকসেস’ এ।

টানা ২৪ বছর ওল্ডট্র্যাফোর্ডে কাটিয়ে দিয়েছেন গিগস। ফুটবলের পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরু এবং শেষ করেছেন এখানেই। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবেও গড়ে উঠেছেন এখান থেকেই। তবে অবসর নিতে অনেক বিলম্ব করে ফেলেছেন এ মিডফিল্ডার। ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত পেশাদার এবং অপরিহার্য সদস্য হিসেবে ম্যানইউর জার্সি গায়ে মাঠ মাতিয়েছেন। গত মৌসুমে ফার্গুসন অবসর নেয়ার পর ডেভিড মোয়েস এসেছিলেন। কিন্তু মৌসুমের মাঝে মোয়েস বরখাস্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নেন গিগস। যদিও পরে ভ্যান গালকে প্রধান কোচের আসনে বসিয়েছে ওল্ডট্র্যাফোর্ডের ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটি। বর্তমানে ভ্যান গালের কোচিং স্টাফের একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন ৪১ বছর বয়সী গিগস। কিন্তু ফার্গুসন মনে করেন যদি ৩৫ বছর বয়সে অবসরে যেতেন সেক্ষেত্রে তিনি এখন রেড ডেভিলদের প্রধান কোচের দায়িত্বেই থাকতে পারতেন। এমনটাই দাবি করেছেন তার দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষক স্যার ফার্গুনসন। তার ওপর নির্মিত এক ডকুমেন্টারিতে এমন মন্তব্য করেছেন স্যার ফার্গি। তিনি বলেন, ‘যদি রায়ান গিগস ৬ কিংবা ৭ বছর আগে অবসর নিতেন, মানে আমি বলতে চাইছি যখন তার বয়স ৩৫ ছিল, সেক্ষেত্রে আমি অবশ্যই তাকে নিজের সহকারী হিসেবে নিয়ে নিতাম। আর তেমনটা ঘটলে আমার দীর্ঘদিনের সহকারী হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকার কারণে অবশ্যই সরাসরি তিনি ম্যানইউয়ের প্রধান কোচ হয়ে যেতেন। এই মুহূর্তে তিনি ভ্যান গালের সহকারী হিসেবে আছেন। তাই সময় লাগবে আরও ওই অবস্থানে যাওয়ার জন্য।’ সাধারণত আন্তর্জাতিক মানের ফুটবলাররা ৩৫/৩৬ বছর বয়সেই ইতি টানেন তাদের পেশাদার ক্যারিয়ারে। কিন্তু ফিটনেস এবং পারফর্মেন্স দুটোই ভালভাবে ধরে রেখেছিলেন গিগস। আর রেড ডেভিলদেরও প্রয়োজন ছিল তাকে খেলোয়াড় হিসেবে। সে কারণে খেলা চালিয়ে গেছেন ৪০ বছর পর্যন্ত। সবমিলিয়ে ম্যানইউর জার্সিতে ৯৬৩ ম্যাচ খেলেছেন।