২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরিশালে মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর করে সম্পত্তি দখল

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ ৯৭ বছরের বৃদ্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামেদ ঘরামীকে মারধর করে জোরপূর্বক তার সম্পত্তি দখল করে ঘর উত্তোলন করছেন প্রতিপক্ষের লোকজনে। গুরুতর আহত মুক্তিযোদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাহাদুরপুর গ্রামে।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত মিলন ঘরামীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা হামেদ ঘরামীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি নিয়ে পার্শ্ববর্তী আধুনা গ্রামের সোহরাব মোল্লার পুত্র শাহিন ও শুক্কুর মোল্লার সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছে।

এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আদালতে মামলা দায়ের করে ওই সম্পত্তির ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার পুত্র জামাল ঘরামী অভিযোগ করেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রভাবশালীরা ৩০/৩৫ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে গত ২ অক্টোবর রাতে জোরপূর্বক তাদের সম্পত্তি দখল করে ঘর উত্তোলন করেন। এ সময় প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীদের বাধা দিতে গেলে তারা হামলা চালিয়ে তার বৃদ্ধ পিতাকে মারধর করে আহত করে। স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় তার বাবাকে উদ্ধার করে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি আরও জানান, ১৯৫৯ সালে সম্পত্তি ক্রয়ের পর থেকে অদ্যবধি তারা ওই সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সময়ে ক্রয়কৃত সম্পত্তির মধ্যে ৫ শতক জমি নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে আদালতে মামলা এবং ওই সম্পত্তির ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা (জামাল) কেউ গ্রামে না থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার বৃদ্ধ পিতাকে মারধর করে সম্পত্তি দখল করে ঘর উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।

সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে ৭১৮ মোটরসাইকেল আটক

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ॥ পুলিশের অভিযানে গত ২ দিনে সাতক্ষীরা শহর থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ৪শ’ ২৬টি এবং হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র না থাকায় আরও ২শ’ ৯২টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। আর এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ৭শ’ ২৬টি।

৪ ও ৫ অক্টোবর বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব মোটরসাইকেল আটক করে পুলিশ লাইনে রাখা হয়। সাতক্ষীরা পুলিশের তথ্য উপকর্মকর্তা কামাল হোসেন মোটরসাইকেল আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আগামী ১৩ অক্টোবর জরিমানা আদায় করার জন্য মামলার দিন ধার্য করা হয়েছে। সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এদিকে হেলমেট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে মামলা দেয়া ও আটক করা মোটরসাইকেলগুলো ছাড়িয়ে নিতে মঙ্গলবার দিনভর শত শত মোটরসাইকেল মালিকরা ট্রাফিক পুলিশে অফিসে ভিড় করে। পুলিশের এই অভিযানে রেজিস্ট্রেশন থাকার পরও ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেটসহ অন্যান্য মামলায় মোটরসাইকেল জব্দ করার ঘটনায় শহরে মোটরসাইকেল চালকের সংখ্যা ৭৫ ভাগ কমে গেছে।