২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করতে বিদেশি হত্যা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে -ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিরোধী দলকে সম্পৃক্ত করবার জন্য বিদেশি হত্যা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দুই বিদেশি নাগরিক হত্যাকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না করেই বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন। সেই সঙ্গে তিনি বিদেশী হত্যার সঙ্গে জড়িতদের খুজে বের করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

ফখরুল বলেন, আমরা অত্যন্ত বিস্ময় এবং ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, সম্প্রতি ইতালী ও জাপানী নাগরিকের নৃশংস খুনের পরপরই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমন করবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা আরোপ করছে। ইতিমধ্যেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামসহ শতাধিক নেতা-কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। বিদেশী হত্যাকান্ডের ঘটনায় কোনও সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়াই বিএনপিকে দোষারোপ করে প্রকৃতত ঘটনা থেকে দেশের জনগণর ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চাইছে।

ফখরুল বলেন, আমরা বিদেশী নাগরিকদের ঘৃন্য হত্যাকান্ডের নিন্দা জানিয়েছি এবং অবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনার আহবান জানিয়েছি। সরকার বরাবরের মতোই তাদের ব্যর্থতা ঢাকবার জন্য ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে বিরোধী দল ও মতকে দমন করতে চাইছে। ইতিমধ্যে বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানী ও নির্যাতনের মাত্রা বাড়ানো হয়েছে।

ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু তাকে অসুস্থ অবস্থয় হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেয়া হয়েছে। এটা নির্যাতন ছাড়া কিছু নয়। আমরা তাকে হাসপাতালে ফিরিয়ে নিয়ে এসে সুষ্ঠু চিকিৎসা এবং অবিলম্বে মুক্তি প্রদানের আহবান জানাচ্ছি। এ ছাড়া আমরা অবিলম্বে তরিকুল ইসলামসহ সকল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তি দাবি করছি।

ফখরুল বলেন, দেশে যে অসহনীয় রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনের কোন উদ্যোগ না নিয়ে গণতন্ত্রের সকল পথ রুদ্ধ করে একদলীয় শাসন পোক্ত করবার এই অপচেষ্টা বাংলাদেশকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যা সমগ্র জাতিকে অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা এবং গভীর সংকটে ফেলছে। আমরা বারবার এই অবস্থার নিরসনের জন্য গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও সহনশীল রাজনীতির আহবান জানিয়েছি।