১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সমাজ গড়ার দক্ষ কারিগর

  • জিতেন্দ্র কুমার সিংহ

শিক্ষা ব্যবস্থায় সমাজের দু’টি অংশ সরাসরি সম্পৃক্ত। এক অংশ হচ্ছে জ্ঞান লাভে আগ্রহী ও সচেষ্ট ছাত্রসমাজ এবং অপর অংশ হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে উক্ত কাজে সহায়তাকারী শিক্ষক সমাজ। তাদের দৈহিক ও মানসিক শক্তি এবং দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যত সমাজ। এরাই মানুষ ও সমাজ গড়ার একমাত্র দক্ষ কারিগর।

সামাজিক পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষার রূপেরও পরিবর্তন ঘটেছে। মানবসভ্যতার আদিযুগ থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক কাজের বহু পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীকে সহায়তা করার যে প্রক্রিয়া তার মৌলিক কাঠামোতেও পরিবর্তন না আনলে অসামঞ্জস্য সমাজে পরিলক্ষিত হবে বিধায় সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা বিঘিœত হবার আশঙ্কা থাকে। তাই শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের সূচনালগ্নের গুরুদক্ষিণা বেতনস্কেলের কাঠামোতে এসেছে। প্রাচীন সমাজে মানুষের জীবনযাত্রার প্রকৃতি ছিল সহজ এবং সরল। জীবনের অভাববোধ বা চাহিদাও তখন এত ছিল না। জীবন যাপনের জন্যে সামান্য যা কিছু উপকরণের প্রয়োজন হতো, মানুষ তখন তা খুব সহজে মিটিয়ে ফেলতে পারত। উপমহাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ছিল গুরু গৃহকেন্দ্রিক। তা থেকে আজ শিক্ষা অনেকটা সরে এসে দ্রুতগতিতে পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং অগ্রসরমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে তাই প্রয়োজন। দেশের গোটা সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করার কলকাঠি যাদের হাতে ন্যস্ত, তারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলানো বিষয়টি অবগত হলেও সমাজের সর্বক্ষেত্রকে সুষমভাবে গুরুত্ব দিতে কার্পণ্য করে থাকেন। এতে শিক্ষকদের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণও ব্যাহত হচ্ছে। উভয়ের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়টি অভিভাবকদেরই বেশি বেশি ভাবা জরুরী।

বামনগাঁও (মাধবপুর), মৌলভীবাজার থেকে