২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শ্রীনগরে সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ॥ বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ শ্রীনগর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার বিল্লাল উদ্দিন আকন্দের ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বুধবার বিক্ষোভ করেছে দলিল লেখক সমিতি। বিল্লাল উদ্দিন আকন্দ তার দাবি পূরণ না করলে কোন দলিল রেজিস্ট্রি হবে না বলে জানিয়ে দেন। শ্রীনগর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, মহসীন মিয়া, আঃ সাত্তার, সজিব, প্রদীপ সরকার, শফিকুল ইসলাম বাবু জানান, দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির হাল সনের খাজনা রশিদ, মূল পর্চা বা এর সইমুহুরী কপি প্রয়োজন।

কিন্তু বিল্লাল উদ্দিন আকন্দ প্রায় আট মাস পূর্বে এ অফিসে যোগদানের পর থেকে অবৈধভাবে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের জিম্মি করে অলিখিত নিয়ম চালু করেন। তার নিয়ম অনুযায়ী দলিল প্রতি তাকে খাজনা রসিদ না থাকলে ৫শ’, পর্চার মূল কপি না থাকলে ৫শ’, দলিলে উল্লেখিত প্রতি লাখ মূল্যের জন্য ৩শ, হেবা ঘোষণা, বণ্টন, পাওয়ার নামা দলিল হলে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ করে টাকা অতিরিক্ত হয়। এই টাকা তিনি দলিল লেখকদের মাধ্যমে দলিল গ্রহীতাদের কাছ থেকে নিয়ে থাকেন। কয়েক দিন আগে তিনি দলিল লেখক সমিতির সদস্যদের ডেকে এসব খাত থেকে দ্বিগুণ অর্থ আদায়ের কথা বলেন। এ নিয়ে দলিল লেখকদের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। পরে তিনি অফিস স্টাফদের সরাসরি অর্থ আদায়ের কথা বললে তারাও বেঁকে বসেন। এর ফলে অফিস স্টাফরা ক্ষুব্ধ হয়ে ১৫ দিন ধরে দলিলের নকল লেখা বন্ধ রেখেছেন। তারা আরও জানান, দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে বিল্লাল উদ্দিন আকন্দ তাদের কাছে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। তার দাবিকৃত অর্থ না দেয়ায় তিনি দলিল রেজিস্ট্রি না করে তাদের ফিরিয়ে দেন। এতে দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসা কয়েক শ’ লোক ক্ষোভে ফেটে পড়ে।

শ্রীনগর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি পরিমল চক্রবর্তী জানান, তার দাবিকৃত দ্বিগুণ টাকা না দেয়ায় তিনি কোন দলিল রেজিস্ট্রি করেননি। তার এসব দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় এমপি মহোদয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। শ্রীনগর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার বিল্লাল উদ্দিন আকন্দ দলিলের নকল বন্ধ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়।

ফরিদপুরে চিকিৎসকের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ৭ অক্টোবর ॥ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগ করেছে চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় ওই রোগী ও নবজাতকের লাশ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। যদিও ফমেক কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সদর উপজেলার হাসাড়াকান্দি এলাকার মোঃ রিজু মোল্লা (২৫) তার গর্ভবতী স্ত্রী পলি বেগমকে (২৫) ভর্তি করে হাসপাতালে। রাত আটটার দিকে তার স্ত্রী পুত্র সন্তান প্রসব করেন। রিজু মোল্লা জানান, বাচ্চাটিকে কিছুটা অসুস্থাবস্থায় শিশু ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ ফিরোজ বাচ্চাটির চিকিৎসায় অবহেলা করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই চিকিৎসক নিজে বাচ্চাটিকে চিকিৎসা না দিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করান। বুধবার সকালে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে মারা যায় বাচ্চাটি।