২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সড়ক দুর্ঘটনায় ফাঁস হয়ে গেল সার পাচারের ঘটনা

  • ডিলারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মানিকগঞ্জ, ৭ অক্টোবর ॥ সড়ক দুর্ঘটনায় ফাঁস হয়ে গেল সার পাচারের ঘটনা। বুধবার মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটেছে। শিবালয় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ নিযুক্ত মহাদেবপুর ইউনিয়ন বিসিআইসি ডিলার জমির উদ্দিনের নামে বরাদ্দকৃত ১২ টন ইউরিয়া সার নিজ গুদামে না উঠিয়ে অন্যত্র পাচারকালে বহনকৃত ট্রাক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এদিকে সার পাচারের ঘটনায় ডিলারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও লাইসেন্স বাতিলের দাবিতে মহাদেবপুর বাজারে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। তবে পাচারের ঘটনাটি অস্বীকার করেছে ডিলার জমির উদ্দিন।

জানা গেছে, বিসিআইসি ডিলার জমির উদ্দিনের নামে বরাদ্দকৃত ঘোড়াশাল কারখানা থেকে আনা ১২ টন সার নিজ গুদামে মজুদ না করে তা কালো বাজারে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। ওই সার নিজ গুদামে না উঠিয়ে তা পাচারকালে সার বোঝাই ট্রাক বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফলসাটিয়া-জুনিকালশা সড়কের কেশবপট্টি মোড়ে গভীর খাদে পানিতে পড়ে যায়। এরপরই ফাঁস হয়ে পড়ে সার পাচারের ঘটনা। ঘটনার পর থেকে সার ডিলার পলাতক রয়েছে। এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে সার পাচারের ঘটনায়। অধিকাংশ সার পানিতে বিনষ্ট হয়ে গেছে।

শিবালয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।

বিয়ের প্রলোভনে দৈহিক সম্পর্ক, অর্থ আত্মসাত ॥ প্রভাষক গ্রেফতার

সংবাদদাতা, নাটোর, ৭ অক্টোবর ॥ বিয়ের প্রলোভনে সালমা আক্তার (২৮) নামে এক বিধবা নারীর সঙ্গে একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন ও সাড়ে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সিংড়ায় আক্তারুজ্জামান (৪৫) নামে এক প্রভাষককে মঙ্গলবার রাতে আটক করেছে পুলিশ। আটক উপজেলার বিলহালতী ত্রিমোহনী ডিগ্রী কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক এবং পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া মহল্লার মৃত মকছেদ আলীর ছেলে। জানা যায়, স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা হওয়ার সুযোগে প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে প্রভাষক আক্তারুজ্জামান সালমা আক্তারকে ফোন করে উত্ত্যক্ত করত। দীর্ঘদিন ফোনে কথা বলার এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর সালমা আক্তারের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে ডেকে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার দৈহিক মেলামেশা করে ওই লম্পট প্রভাষক।

বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে সালমা আক্তারের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রভাষক আক্তারুজ্জামান।