১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ॥ তৃতীয় ইন্তিফাদা আসন্ন?

মধ্যপ্রাচ্যে গত সপ্তাহে লাশের স্তূপ পড়ে যায়। ফিলিস্তিনীদের দুটি হামলায় চার ইসরাইলী নিহত হয় এবং ইসরাইলী সৈন্যদের হাতে চার ফিলিস্তিনী মারা যায়। লোকজন তৃতীয় এক ইন্তিফাদার সূচনা দেখছে কিনা, তা নিয়ে তারা শঙ্কার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক করছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

যদিও সহিংসতা মঙ্গলবার পর্যন্ত চলেছিল কিন্তু কোন ফিলিস্তিনী অভ্যুত্থানের ধারণাটি এখন সেকেলে মনে হতে পারে। অধিকাংশ বিশ্লেষক বলছেন, ফিলিস্তিনীদের আজ তেমন শক্তিশালী নেতৃত্ব নেই, যা ১৯৮৭ সালে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনাকে এক সংগঠিত আন্দোলনে পরিণত করে অসলো শান্তিচুক্তি বয়ে এনেছিল। বা এমন নেতৃত্বও নেই, যা ২০০০ সালে ইসরাইলী বাস ও কাফেতে একযোগে আত্মঘাতী বোমা হামলার সূচনা করতে সহায়তা যুগিয়েছিল। দ্বিতীয় ইন্তিফাদার কারণে পাঁচ বছরে ৩ হাজার ফিলিস্তিনী ও ১ হাজার ইসরাইলী মারা যায় এবং এ যন্ত্রণা উভয় সমাজেই ক্ষতের সৃষ্টি করে। এসব বছরের পুনরাবৃত্তি এড়নোর লক্ষ্যই তখন থেকে তাদের রাজনীতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে।

ইনস্টিটিউট ফর প্যালেস্টাইন স্টাডিজের মইন রাব্বানি বলেন, অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু সেজন্য লোকজনকে খুবই তড়িৎ সংগঠিত করার প্রয়োজন হবে।

ফিলিস্তিনী কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার শক্তি বজায় রয়েছে বলে আমি দেখতে চাই। কিন্তু ইসরাইলী লেখক এতসার কেরেও বলেন, ইসরাইলী ও ফিলিস্তিনীদের মধ্যে আগামীতে কি কোন সংঘর্ষ হবে? এ প্রশ্ন কেউই নিজেকে করছে না। কখন সেটি ঘটতে যাচ্ছে সেটিই একমাত্র প্রশ্ন। বর্তমান উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণ জেরুজালেমের ওল্ড সিটির এক পবিত্র স্থান, যা ইহুদির কাছে টেম্পল মাউন্ট ও মুসলিমদের কাছে আল আকসা মসজিদ নামে পরিচিত।