২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দু’হাজার জেএসসি পরীক্ষার্থীর নিবন্ধনে ভুল

  • যশোর শিক্ষা বোর্ড

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর শিক্ষা বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় ২ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন কার্ডে ভুল হয়েছে। এ ভুলের জন্য শিক্ষকরা দোষারোপ করছেন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে। আর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে শিক্ষকদের কারণে নিবন্ধন কার্ডে ভুল হয়েছে। আর এ ভুল সংশোধনের জন্য টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, আগামী ১ নবেম্বর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে ২ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিবন্ধন কার্ড বিতরণ কাজ ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার শিক্ষার্থীর ভুল নিবন্ধন কার্ড দেয়া হয়েছে। নিবন্ধন কার্ডে ভুল ছিল শিক্ষার্থীর নাম, বাবা ও মায়ের নাম। এ ভুল সংশোধনের জন্য ১শ’ টাকা করে ফি নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষা বোর্ডে আসা একাধিক শিক্ষক। নিবন্ধন কার্ডে ভুল সংশোধন করতে শিক্ষা বোর্ডে আসা ঝিনাইদহ শৈলকুপার রামসুন্দরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুর রহমান জানান, নিবন্ধন কার্ডে ভুল করেছে শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার শাখা। অথচ ভুল সংশোধনের জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। সাতক্ষীরার শতদল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শামসুল আলম জানান, নিবন্ধন কার্ডে শিক্ষকদের কারণে ভুল হতে পারে, কিন্তু বেশি ভুল করেছে শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার শাখা। অথচ ভুল সংশোধনের জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে ফি নেয়া ঠিক হচ্ছে না। শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. আহসান হাবিব জানান, তাদের কারণে নিবন্ধন কার্ডে ভুল হয়নি। সব ভুল হয়েছে শিক্ষকদের কারণে। আগামীতে শিক্ষকদের কারণে নিবন্ধন কার্ডে ভুল না হয় এজন্য ১শ’ টাকা করে ফি নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, শিক্ষকদের কারণে নিবন্ধন কার্ডে ভুল হয়েছে তা সঠিক নয়। শিক্ষা বোর্ডের কারণেও নিবন্ধন কার্ডে ভুল হয়েছে। তবে এ ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে ১শ’ টাকা ফি নেয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানি না।

চাঁপাইয়ে হাত বাড়ালেই মিলছে বিস্ফোরক হাতবোমা-পটকা

অতিষ্ঠ শহরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ শহরজুড়ে আতঙ্কের নাম আতশবাজি। সারাদিন ধরে শহর ও শহরতলীর সর্বত্র এই আতশবাজির নামে বিভিন্ন আকারের পটকা ফুটিয়ে চলেছে একশ্রেণীর কিশোর-কিশোরী। সন্ধ্যা নামলে পটকা ফুটানোর হার আরও বেড়ে যাচ্ছে। পটকার আওয়াজ হাতবোমার মতো বিকট হয় বলে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। গত ঈদ-উল ফেতরের সময় থেকে শুরু হয়ে ঈদ-উল আযহা পর্যন্ত ফুটেছে এসব বিস্ফোরক বা পটকা। সামনে আসছে পুজো। আরও বেড়ে যাবে পটকা ফুটানো। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত শহর বলে আতশবাজির নামে এসব ছোট-বড় নানান সাইজের (৩২ ধরনের) পটকা বা বিস্ফোরক সীমান্তে গলিয়ে দেদারসে আসছে। আর এসব পটকা নিয়ে আসছে একধরনের পেশাদার চোরাকারবারিরা। এদের অনেকেই অতীতে বা বর্তমানে প্রয়োজনীয় অর্ডার মোতাবেক নানান ধরনের উচ্চমানসম্পন্ন তৈরি হাতবোমাও সরবরাহ করে থাকে। গত এক সপ্তাহে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জের ৩টি স্থানে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার ও তা ধরে রাখতে যে দাঙ্গা হয়ে গেল তাতে কয়েক শ’ হাতবোমা ব্যবহার হয়েছে। শিবগঞ্জের দশরশিয়া ও ধাইনগরে এবং সদরের ইসলামপুর ইউনিয়নের সাম্প্রতিক দাঙ্গায় ব্যবহার করা হয় এসব হাতবোমা। উভয় পক্ষের বোমা হামলায় দুই জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। এসব হাতবোমা সরবরাহকারীরা অন্যান্য সময়ে জেলা শহরসহ নানান বাজারে আতশবাজির নামে সরবরাহ করছে পটকা।

আর তাই হাত বাড়ালেই মুদিখানার দোকানে পাওয়া যাচ্ছে এসব পটকা। তাই নানান ধরনের পটকার আওয়াজে বিভিন্ন মহল্লার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাদের বাড়ছে উৎকণ্ঠা ও আক্রান্ত হচ্ছে হৃদরোগে। পুজো সামনে রেখে এখন চলছে পটকা মজুদের মৌসুম। পটকা বিক্রিতে লভ্যাংশ দ্বিগুণ, তিনগুণ হওয়ার কারণে মুদি দোকানদাররা কিনে মজুদ রাখতে অতি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। পরে চড়া মূল্যে বিক্রি করবে। এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে গিয়ে পটকা বিস্ফোরকদের আটকের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।