২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুলিশের দাবি তাভেল্লা খুনের তদন্ত এগিয়েছে

অনলাইন রিপোটার॥ গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় রাজধানীর কূটনীতিক পাড়ায় ইতালীয় চেজারে তাভেল্লা খুনের তদন্ত ‘অনেকটাই এগিয়েছে’ বলে দাবি করেছে পুলিশ। দাবি করলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে ,তা খোলাসা করেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জেহাদ হোসেন।

তার কথায় স্পষ্ট হয়েছে, খুনিদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি, হত্যাকাণ্ডের কারণও উদঘাটন হয়নি।

তাভেল্লা হত্যাকাণ্ড নিয়ে শোরগোলের মধ্যে রংপুরে খুন হন আরেক বিদেশি জাপানের কুনিও হোশি। তার খুনিদের কাউকেও গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে সন্দেহভাজন দুজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

তাভেল্লা খুনের তদন্তে অগ্রগতি বিষয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান “সম্ভাব্য সব বিষয় যাচাই-বাছাই করে দেখেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। তদন্তের সফলতার স্বার্থে অপরাধী শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ে বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না, বলে সেই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন “যারা এই হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে, তাদের শনাক্ত করাই প্রথম টার্গেট। এরপর কারা কী কারণে ওদের দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করিয়েছে, তা বেরিয়ে আসবে। পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। পুলিশ অপরাধীদের শনাক্তে সফল হবে বলে আশা করি।”

পুলিশ উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তাভেল্লা হত্যাকাণ্ডের পর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলামকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ সদর দপ্তর। কমিটিকে সহায়তা করতে দুটি তদন্ত সহায়তা কমিটিও গঠন করা হয়।

বাংলাদেশে চলাফেরায় নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারির মধ্যে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় তাভেল্লা হত্যাকাণ্ড ঘটে। তার পাঁচ দিন পর রংপুরের পল্লীতে খুন হন জাপানি কুনিও।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, দুটি হত্যাকাণ্ডের সময়ই তিন খুনি এসেছিল মোটর সাইকেলে এবং গুলি চালিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যায়।

তাভেল্লা নেদারল্যান্ডসভিত্তিক এনজিও আইসিসিও কো-অপারেশনের একটি খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ছিলেন। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন তিনি।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে তার কর্মস্থলের সহকর্মী হেলেন ভেন্দার বিক গুলশান থানায় মামলাটি করেছেন।