২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আন্তর্জাতিক কোর্টে দুই বিচারক নিয়োগ বিচার মানের বড় স্বীকৃতি ॥ আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক আদালতে দুই বাংলাদেশী বিচারকের স্থায়ী নিয়োগ এদেশের বিচার বিভাগের মানের বড় স্বীকৃতি বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অভিজ্ঞতা বিদেশীরাও কাজে লাগাতে চান। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এমন মানে পৌঁছেছে যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এর প্রশংসা হচ্ছে। যার স্বীকৃতিও দেশে-বিদেশে মিলছে। বৃহস্পতিবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনে জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ৮ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সাবেক প্রধান বিচারপতি তোফাজ্জল ইসলাম ও বিচারপতি আওলাদ আলীকে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত সালিশী আদালতের সদস্য পদ লাভ করেছেন। এই প্রথম বারের মতো বাংলাদেশী দুই বিচারপতি সম্মানজনক এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ লাভ করেছেন। আন্তর্জাতিক বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে গৃহীত ১৯০৭ সালের হেগ সম্মেলনের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী ৬ বছরের জন্য বাংলাদেশী বিচারপতিদ্বয়ের নিয়োগ পাওয়াকে স্থায়ী সালিশ আদালতের আন্তর্জাতিক ব্যুরো স্বাগত জানিয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, নির্বাহী বিভাগের মতো বিচার বিভাগেও ‘ডিজিটালাইজেশন’ এর সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে দুই বাংলাদেশী বিচারকের স্থায়ী নিয়োগ এদেশের বিচার বিভাগের মানের বড় স্বীকৃতি।

আনিসুল হক বলেন, বিচারকদের ওপর বিপুলসংখ্যক মামলার চাপ থাকার বিষয়ে সরকার অবগত। এজন্য আমরা কিছু পুরনো আইন সংশোধন করছি, বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি করছি। অবকাঠামো উন্নয়নও করছি। যেখানে যেখানে ভবন নির্মাণে অনুমোদন ছিল, সেখানে আসবাবপত্রের কথা উল্লেখ ছিল না। আমি আলাদা অনুমোদন নিয়ে সব জায়গায়ই আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করেছি। কর্মশালায় অংশ নেয়া বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারা জেলা পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমরা চাই, মানসম্মত বিচার।

বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি মূসা খালেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক। এ সময় অন্যদের মধ্যে ৩৩ বিচারক উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রত্যেককে একটি করে ট্যাব বিতরণ করেন আইনমন্ত্রী। ৮ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে ৪০ বিচারক ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা অংশ নিবেন বলে জানা গেছে।