২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাকিস্তানকেই এগিয়ে রাখছেন মিসবাহ

  • ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সাড়ে তিন বছর আগে সর্বশেষ সিরিজ খেলেছে দু’দল। আবারও সেই আরব আমিরাতের মাটিতেই মুখোমুখি হবে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড। সেবার ইংলিশদের টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল পাকরা। এবার সিরিজে আছে ৩ টি২০, ৪ ওয়ানডে ও ৩ টেস্ট। এবারও অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক তার দল পাকিস্তানকেই ফেবারিট মনে করছেন। কিন্তু এবার তিনি মনে করেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা সহজ হবে না এবং ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তিও হয় তো হবে না। আবুধাবির জায়েদ স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা জানান মিসবাহ। ইংল্যান্ড এবার ঘরের মাটিতে এ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করে এসেছে। সে কারণে বেশ উজ্জীবিত ও আত্মবিশ্বাসী আছে এ্যালিস্টার কুকের দল। আর পাকিস্তান এখন ভাঙ্গা-গড়ার মধ্যে রয়েছে। নতুনদের আগমন ও প্রস্থান হচ্ছে নিয়মিত। সে কারণে তিন বছর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আরব আমিরাতে যা করা সম্ভব হয়েছিল সেটা এবারও নাও হতে পারে বলে মনে করেন পাক অধিনায়ক মিসবাহ। তিনি বলেন, ‘এটা নতুন সিরিজ, এবার আমাদের আরও তিন টেস্টের সিরিজ খেলতে হবে। এটা ভিন্ন এক ইংল্যান্ড দল। অবশ্যই আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং ভাল ক্রিকেট খেলছি। কিন্তু একইভাবে ইংল্যান্ডও অনেক ভাল ক্রিকেট খেলছে। আমাদের মৌলিক বিষয়াদির প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। অনেক কঠোর পরিশ্রম করতে হবে আমাদের। আর সেটা করার প্রতি আমরা মনোযোগী। আমরা শুধু ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকছি না। আমরা অবশ্যই দিনকে দিন উন্নতি করার প্রতি মনোযোগ দেব, সেশন অনুসারে খেলতে হবে।’ তিন বছর আগে ইংলিশরা মিসবাহর অধীনে পাকিস্তানের কাছে লজ্জাবরণ করেছিল। সেবার অফস্পিনার সাঈদ আজমল ইংল্যান্ডের হতাশার মূল কারণ ছিলেন। এবার সেই আজমল নেই। কিন্তু এরপরও মিসবাহ যাদের পেয়েছেন স্পিন বিভাগে তাদের সামর্থ্য আছে ভালভাবে সফল হওয়ার। গত একটা বছর আজমলের অনুপস্থিতে দারুণ ক্রিকেট খেলেছেন ইয়াসির শাহ। দলের সাফল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই এ তরুণ অনেক বড় ভূমিকা পালন করবেন বলে মনে করেন মিসবাহ। তবে সেইসঙ্গে তিনি দলের সব বোলারদের সাফল্য এনে দেয়ার ক্ষমতা আছে বলেই মনে করেন। মিসবাহ বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি (ইয়াসির) যেভাবে বোলিং করেন, বিশ্বের যে কোন দলের জন্য হুমকি। অবশ্যই ইংল্যান্ডও সেটা জানে এবং আমরাও জানি তিনি আমাদের অন্যতম শক্তি। একই সময়ে আমি মনে করি এটা সব বোলারের ক্ষেত্রেই। সবারই সামর্থ্য আছে নিজের কাজটা করে দলকে সাফল্য এনে দেয়ার।’ শুধু দুয়েকজন ক্রিকেটারের ওপর নির্ভর করে কোন টেস্ট সিরিজ জয় করা যায় না। এ বিষয়ে মিসবাহ বলেন, ‘একটা টেস্ট ম্যাচ কিংবা সিরিজ জেতার ক্ষেত্রে শুধু একজন বোলারের ওপর নির্ভর করা যায় না। অবশ্যই দলগত পারফর্মেন্স হতে হবে। দলগতভাবে খুব ভাল না করতে পারলে টেস্ট ম্যাচ জেতা যায় না। আমরা জানি ইয়াসির আমাদের অনেক বড় আস্থা ও শক্তি। কিন্তু আমাদের ফাস্ট বোলাররা অবশ্যই নতুন বলে এখানে অনেক কিছু করার সামর্থ্য রাখেন। বিশেষ করে আবুধাবিতে তাদের অনেক কিছুই করবার আছে।’ পাক দলে দীর্ঘদিন পর ফিরেছেন অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক। স্বল্প পরিসরের ক্রিকেটে ফর্মের তুঙ্গে থাকায় তার প্রত্যাবর্তন হয়েছে।