২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রয়োজনীয় তথ্য

সারা বছরই যাওয়া চলে দ্বীপ কন্যা চর কুকরি-মুকরি। ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন ঢাকা-চরফ্যাশন লঞ্চ যাতায়াত। সরাসরি চর ফ্যাশন যাবেন। ভোলা হয়েও যাওয়া যায়, তাবে বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে। চরফ্যাশন নেমে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটর সাইকেলে চড়ে যেতে হবে চর কচ্ছপিয়া ফিসারিজ ঘাট। সেখান থেকে ট্রলারে চড়ে চর কুকরি-মুকরি। চর কচ্ছপিয়া থেকে চর কুকরি-মুকরির উদ্দেশে ট্রলার ছেড়ে যায় প্রতিদিন সকাল ১১টায়। ফেরার ট্রলার বিকাল পাঁচটায়এবং সকাল দশটায়।

দিনে গিয়ে দিনে ফেরত আসতে চাইলে আর দলগতভাবে গেলে ট্রলার রিজার্ভ করে যেতে পারেন। চর কুকরি-মুকরিতে রাতযাপনের জন্য হোটেলের ব্যবস্থা নেই। ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারবেন। থাকতে পারবেন বন বিভাগ অফিস তথা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে। খাবারের জন্য এখানে স্থানীয় হোটেল আছে। অর্ডার করলে লাল চালের ভাতের সঙ্গে মাছের আড়ত থেকে কেনা আপনার পছন্দমতো টাটকা মাছ রান্না করে খাওয়াবে। তবে চর কুকরি-মুকরিতে এখনো বিদ্যুৎ আসেনি। তাই চাঁদনি রাত ছাড়া গেলে আলোহীন রাতযাপন করতে হবে। এই কষ্টটুকু বাদ দিলে চর কুকরি-মুকরি ভ্রমণ জীবনের অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা হতে পারে।