২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলফামারীতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দুর্গোৎসবের আয়োজন চলছে

নীলফামারীতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দুর্গোৎসবের আয়োজন চলছে

স্টাফরির্পোটার,নীলফামারী॥ আসন্ন হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে প্রতিমা তৈরিতে মন্ডপে মন্ডপে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা।গত বছরের চেয়ে এবার নীলফামারীতে শারদীয় দুর্গোৎসব মন্ডবও বৃদ্ধি পেয়েছে। বোধনের মধ্যে দিয়ে আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এই উৎসব। তাই উৎসব আয়োজনে যেন দম ফেলার ফুসরত নেই প্রতিমা কারিগর বা শিল্পিদের। নীলফামারী হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি রথিস চন্দ্র রায় ও নীলফামারী জেলা পুজা উৎযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ রমেন্দ্র নাথ বাপী জানান, গত বছর জেলায় ৭৭৭টি মন্ডপে শারদীয় উৎসব হলেও চলতি বছর ৩৪টি পুজা মন্ডব বৃদ্ধি পেয়ে ৮১৪টি মন্ডপে উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে নীলফামারী সদরে ২৬৮টি, ডোমারে ৯০টি, ডিমলায় ৭৭টি, জলঢাকায় ১৬১টি, কিশোরীগঞ্জে ১৩৬টি ও সৈয়দপুরে ৮২টি পুঁজা মন্ডবে প্রতিমা তৈরীর কাজ চলছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, গত বছর এ জেলায় ৭৭৭টি পূঁজা মন্ডবের জন্য সরকারিভাবে ৩৮০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ ছিল। এবার যেহেতু মন্ডবের সংখ্যা ৩৪টি বৃদ্ধি পেয়ে ৮১৪টি হয়েছে সেহেতু এবার সরকারি চালের বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে। তবে এখনও ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ এলে তা প্রতিটি পূঁজা মন্ডবে সমপরিমানে বন্ঠন করা হবে।

নীলফামারী পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খাঁন জানান, এ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপুজাকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিরাপত্তা জোড়দারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন জানান হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপুজাকে সামনে রেখে আগামী রবিবার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে একটি জরুরী সভা আহবান করা হয়েছে। এ জেলায় যাতে শান্তিপূর্ন উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনের সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে বলে তিনি বলেন।