২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দক্ষিণ চীন সাগরে নৌ মহড়া দেবে যুক্তরাষ্ট্র

  • উদ্বেগ ব্যক্ত করল বেজিং

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর মহড়া বেজিংয়ের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধাতে পারে বলে ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিরোধপূর্ণ স্প্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের চারদিকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে প্রকাশিত খবরে চীন উদ্বেগ ব্যক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের দাবি করা জলরাশির মধ্য দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে ঐ সাগরে সামরিক শক্তি দেখাতে প্রস্তুত বলে আভাস দেয়। খবর গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট ও ফিনান্সিয়াল টাইমসের।

আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজগুলো চীনের নিজের ভূখ- বলে দাবি করা স্প্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের চারদিকে ১২ নটিক্যাল মাইলের ভেতর দিয়ে চলাচল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনে সব দেশেরই তাদের উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত জলরাশির ওপর বৈধ অধিকার রয়েছে। ঐ মহড়া আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে। এক উর্ধতন মার্কিন কর্মকর্তা একথা জানান। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের মনুষ্য নির্মিত দ্বীপগুলোর পাশ দিয়ে চলাচল করতে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ শীঘ্রই সেখানে পাঠানো হবে। এটি বেজিংয়ের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে এমন এক এলাকায় উত্তেজনার মাত্রা চড়িয়ে দিতে পারে।

চীন ওইসব দ্বীপের চারদিকে ভৌগোলিক সীমা নির্দেশ করে আন্তর্জাতিক জলরাশিকে কার্যত নিজের ভূখ- বলে দাবি করছে। ওয়াশিংটন ওইসব দাবি স্বীকার করে না। সে জন্যই নৌবাহিনী ওই দ্বীপগুলোর ১২ নটিক্যাল মাইলের ভেতর অন্তত একটি জাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে। এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা একথা বলেন।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনাই বলেন, আমরা আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র এক বাস্তব ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দক্ষিণ চীন সাগরের বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে এবং দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় চীনের সঙ্গে একযোগে এক গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারবে। হুয়া মার্কিন পরিকল্পনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, মার্কিন পক্ষের কাছে চীনের সংশ্লিষ্ট নীতিগত অবস্থান খুবই স্পষ্ট বলে আমি মনে করি।

ওই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্য দিয়ে জাহাজ পাঠাতে হলে হোয়াইট হাউস থেকে অনুমোদন গ্রহণের প্রয়োজন হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যে চীনকে সমুদ্রে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা সীমিত করতে দেবে না, এ পদক্ষেপ থেকে সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন দক্ষিণ চীন সাগরে শক্তি প্রদর্শন করে এসেছে। চীনা নৌবাহিনী সেখানে এমন তৎপরতায় লিপ্ত হয়, যা নৌ চলাচলের স্বাধীনতার প্রতি হুমকির সৃষ্টি করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র্র অভিযোগ করে।