১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতি

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

সুধীর বরণ মাঝি, শিক্ষক,

ডক্টর মালিকা কলেজ ,৭/এ, ধানমন্ডি

ঢাকা-১২০৯, মোবাইল- ০১৯১২-২৯৫০৮৫

.................................................................

প্রস্তুতি ৩য় অধ্যায়

১। এইচআইভি/ এইডস বলতে কী বোঝায় ? এইডসের লক্ষণসমূহ আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ মানুষের জীবন ধ্বংসের জন্য যুগে যুগে বিভিন্ন প্রাণঘাতি রোগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে এইডস এদের মধ্যে একটি। সারা বিশ্বে এই ঘাতক ব্যাধি এইডস আশঙ্কাজনকভাবে বিস্তার লাভ করছে। ২০১০ সালের সরকারী তথ্য হিসাবে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭৫০০ জন। আর বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিন এই রোগে প্রায় ৬৮০০জন ব্যক্তি আক্রান্ত হচ্ছে।

এইচআইভি/ এইডস ঃ ১৯৮১সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম এইডস শনাক্ত হয়। এইচআইভি একটি ভাইরাসের নাম । এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগের নাম হলো এইডস। ঐওঠ এর পূর্ণ রূপ হলো ঐঁসধহ ওসসঁহব ফবভরপরবহপু ঠরৎঁং. এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি । তাই একে ঘাতক ব্যাধি বা মরণব্যাধি বলা হয়।

রোগ বিস্তার ঃ এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের কয়েকটি তরল পদার্থে যেমন: রক্ত,রস, বীর্য ও মায়ের বুকের দুধে বেশি থাকে । ফলে মানব দেহের এই তরল পদার্থগুলোর আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে।

এইডসের লক্ষণসমূহ ঃ এইডসের নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। তবে,এইডস আক্রন্ত ব্যক্তি অন্য যে রোগে আক্রান্তহয়,সে লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যহচ্ছে-

১।শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।

২।অজানা কারণে দুই মাসের অধিক সময় জ্বর থাকা।

৩। দীর্ঘদিন ধরে শুকনো কাশি থাকা।

৪। দুইমাসের অধিক সময় ধরে পাতলা পায়খানা ।

৫। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছত্রাকজনিত সংক্রমন দেখা দেওয়া।

৬। লসিকা গ্রন্থি ফুলে যওয়া।

৭।নিদ্রা কম ও দেহ দুর্বল হয়ে যায়।

৮।¯œায়ু আক্রান্ত হয়ে স্মরণ শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা লোপ পায়।

যবানিকা ঃ পরিশেষে আমরা বলতে পারি এইডস একটি মরণব্যাধি । উপরে বর্ণিত কোন লক্ষণ দেখা গেলেই নিশ্চিত ভাবে বলা যাবেনা তিনি এইডস আক্রান্ত। তবে কোন ব্যক্তির এই সব লক্ষণ দেখা দিলে বিলম্ব না করে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রক্ত পরীক্ষা করে এইবিষয়ে নিশ্চিত হবে।

২। এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে আমাদের কী কী করা উচিৎ ?

ভূমিকা ঃ বাঁচতে হলে জানতে হবে। এইডস একটি মরণব্যাধি। অকালমৃত্যই যার শেষ পরিণতি। তবে এটা কোন ছোঁয়াছে রোগ নয়। আমরা সচেতন হলেই এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

এইচআইভি/ এইডস ঃ এইডস এক ধরনের ভাইরাস জনিত রোগ। এই রোগের ভাইরাসটির নাম এইচআইভি। এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি।

এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে করণীয় বা উপায় ঃ

১। অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করা যাবে না।

২। অন্যের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ব্যবহার করা যাবে না।

৩। অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড বা রেজার ব্যবহার করা যাবে না।

৪। অনিয়ন্ত্রিত,অনিরাপদ ও অনৈতিক যৌনমিলন করা যাবেনা।

৫। অপারেশনে পরিশুদ্ধ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।

৬। শিশুকে এইচআইভি জীবাণুবাহী বা এইডসে আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যাবেনা। ৭। এইচআইভি বা এইডস বিষয়ে মিডিয়াতে প্রচারের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি এইডস একটি ঘাতকব্যাধি । এইচআইভি/ এইডস কী,কীভাবে সংক্রমিত হয়,লক্ষণ,প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কী প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ও সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন। আমরা সচেতন হলেই এবং এর কারণগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারলেই,এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

৩।এইচআইভি / এইডসকে ঘাতক ব্যাধি বলা হয় কেন ? আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ বাঁচতে হলে জানতে হবে। এইডস একটি মরণব্যাধি। অকালমৃত্যই যার শেষ পরিণতি। তবে এটা কোন ছোঁয়াছে রোগ নয়। আমরা সচেতন হলেই এইচআইভি/ এইডস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

রোগ বিস্তার ঃ এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের কয়েকটি তরল পদার্থে যেমন: রক্ত,রস, বীর্য ও মায়ের বুকের দুধে বেশি থাকে । ফলে মানব দেহের এই তরল পদার্থগুলোর আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে।

ঘাতক ব্যাধি ঃ ১৯৮১সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম এইডস শনাক্ত হয়। এইচআইভি একটি ভাইরাসের নাম । এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগের নাম হলো এইডস। ঐওঠ এর পূর্ণ রূপ হলো ঐঁসধহ ওসসঁহব ফবভরপরবহপু ঠরৎঁং. এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। অকালমৃত্যুই এইডস রোগের শেষ পরিণতি । তাই একে ঘাতক ব্যাধি বা মরণব্যাধি বলা হয়।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে এই রোগের এখনো কোন কার্যকর ঔষধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি তাই এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য আমাদেরকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪।এইচআইভি /এইডস-এর প্রভাব আলোচনা কর।

ভূমিকা ঃ সারা বিশ্বে এই ঘাতক ব্যাধি এইডস আশঙ্কাজনকভাবে বিস্তার লাভ করছে। ২০১০ সালের সরকারী তথ্য হিসাবে বাংলাদেশে এইচআইভিতে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭৫০০ জন। আর বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিন এই রোগে প্রায় ৬৮০০জন ব্যক্তি আক্রান্ত হচ্ছে।

এইচআইভি /এইডস-এর প্রভাব ঃ স্বাস্থ্যব্যবস্থায় যেমন এইচআইভি /এইডস এর ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে, তেমনি পারিবারিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে।

১। স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর প্রভাব ঃএইচআইভি ভাইরাস একবার দেহে প্রবেশ করলে তা সারা জীবন শরীরের মধ্যে থাকে এবং শরীরিক সম্পর্ক বা একই সিরিঞ্জের মাধ্যামে অন্যের শরীরেও ছড়ায়। স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য এটা মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এই রোগের প্রতিষেধক না থাকায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। এতে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

২। পরিবারের ওপর প্রভাব ঃ এইচআইভি আক্রন্ত ব্যক্তি জীবিত থাকা অবস্থায় তাকে স্থানীয় লোকজন,পাড়া-প্রতিবেশী সবাই এড়িয়ে চলে। সমাজে তাকে ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি কর্মরত থাকলে তাকে কাজ বা চাকরি থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। তার চিকিৎসার জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে পরিবারে আর্থিক অনটন দেখা দেয়।এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেলে তার ছেলেসেয়েরা এতিম হয়ে অবহেলা- অনাদরে বড় হয়। শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়, এমনকি অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

৩। অর্থনৈতিক প্রভাব ঃ এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির কর্মক্ষমতা কমে যায়। ফলে সে কাজকর্ম, আয়-রোজগার করতে পারে না । এতে ঐ ব্যক্তির উন্নয়ের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। যেসব দেশে এইডসের প্রকোপ বেশি, সেখানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা নেমে আসে।

৫। অনৈতিক দৈহিক সম্পর্ক কী? এইডস মানব দেহে কিভাবে সংক্রমিত হয় ?

ভূমিকা ঃ মানুষ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। তার মূল্যবোধ, মনুষত্ব ,বিবেক এগুলো তার একটা নৈতিক চরিত্র নির্ধারন করে। কোন মানুষ যখন এগুলো হারিয়ে তখন তার নৈতিক অবক্ষয় শুরু হয় এবং সে নানা রকম অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে।

অনৈতিক দৈহিক সম্পর্ক ঃ এইডস সম্পর্কে আলোচনা শুরু করলেই চলে অনৈতিক দৈহিক সম্পর্ক। বিবাহ বহির্ভূত যৈানমিলনকে অনৈতিক দৈহিক সম্পকর্ বলে। লিভ টুগেদার অনৈতিক দৈহিক সম্পর্কের একটা অংশ। প্রধানত কৌতুহল এবং আবেগের বশবর্তী হয়ে কিশোর-কিশোরীরা অবৈধভাবে পরস্পর যৌন সম্পর্কে মিলিত হওয়াকে অনৈতিক দৈহিক সম্পকর্ বলে। চরিত্রগত অবক্ষয়ের ফলে এরকম সম্পর্ক হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কিশোর-কিশোরীরা বাবা-মায়ের অভিমান করে এরকম অবৈধ কাজ করে ফেলে।

এইডস মানব দেহে যে ভাবে সংক্রমিত হয় ঃ এইচআইভি ভাইরাস মানবদেহের কয়েকটি তরল পদার্থে যেমন: রক্ত,রস, বীর্য ও মায়ের বুকের দুধে বেশি থাকে । ফলে মানব দেহের এই তরল পদার্থগুলোর আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে। এইচআইভি সুনির্দিষ্টভাবে যে সব উপায়ে ছড়ায়, তা হলো - ১। এইচআইভি/ এইডস আক্রান্ত রোগীর রক্ত কোন ব্যক্তির দেহে পরিসঞ্চালন করলে। ২। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সুচ বা সিরিঞ্জ অন্যকোন ব্যক্তি ব্যবহার করলে । ৩। আক্রান্ত ব্যক্তির কোন অঙ্গ বা দেহকোষ অন্যকোন ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করলে। ৪। আক্রান্ত মায়ের মাধ্যমে ( গর্ভধারণকালীন,প্রসবকালে বা মায়ের দুধ পানকালে ) তার শিশু এই রোগে সংক্রমিত হতে পারে। ৫। অনৈতিক ও অনিরাপদ দৈহিক মিলন করলে

৬। অন্যের ব্যবহৃত ব্লেড বা রেজার ব্যবহার করলে।

উপসংহার ঃ পরিশেষে আমরা বলতে পারি এইচআইভি/ এইডস কী,কীভাবে সংক্রমিত হয়,লক্ষণ,প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কী প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ও সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন।

৬। এইচআইভি /এইডস প্রতিরোধের উপায় কী ?

ভূমিকা ঃ এইচআইভি/ এইডস কী,কীভাবে সংক্রমিত হয়,লক্ষণ,প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কী প্রভৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ও সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন।

এইচআইভি /এইডস প্রতিরোধের উপায় ঃ এইচআইভি / এইডস যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তা হলো-

১। ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার ঃ এইচআইভি /এইডস ঝুঁকি প্রতিরোধে সকলকে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার করতে হবে।

২। আবেগ প্রশমন ঃ কৌতুহল ও আবেগের বশবর্তী হয়ে কিশোর-কিশোরীরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকে। অনেক সময় মা-বাবার শাসনের ফলে রাগ বা অভিমান করে তারা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে বসে।বড়দের সাথে বিশেষ করে মা-বাবার সাথে খোলামেলা কথা বললে সহজে আবেগ প্রশমিত হয় এবং এতে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ৩। ঝুঁকিপূর্ণ প্রস্তাব প্রত্যাখান ঃ ঝুঁকিপূর্ণ প্রস্তাব প্রত্যাখান করার জন্য না বলার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কিশোর-কিশোরীরা অনেক সময় অনৈতিক বা অনাকাঙ্গিত প্রস্তাব জক্ষু লজ্জায় বা ভয়ে সরাসরি না বলতে পারে না। তাই কিভাবে না বলতে হবে তা জানতে ও শিক্ষতে হবে। নিজেকে দৃঢ়চেতা হতে হবে এবং বন্ধুত্ব বা আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করেই না বলার কৌশল গ্রহণ করতে হবে। ৪। ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন ও রীতিনীতি মেনে চলা ঃ নেশা করা,মাদকাসক্ত হওয়া, অনৈতিক দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন কোন ধর্ম বা সমাজ অনুমোদন করে না। সামাজিকভাবেও এগুলো অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ। তাই ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন ও রীতিনীতি মেনে চললে এইচআইভি /এইডসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

৫। সচেতনতা সৃষ্টি ঃ র‌্যালির আয়োজন, পত্রিকায় প্রচার,রেডিও,টেলিভিশন,সিনেমা, নাটক, সঙ্গীত প্রভৃতির মাধ্যমে এইচআইভি /এইডস-এর ভয়বহতা সম্পর্কে ব্যাপক হনসচেতনতা সষ্টি করতে পারলেই এইচআইভি /এইডস প্রতিরোধ সম্ভব হতে পারে।

৭। অল্প বয়সী মেয়েরা এইডস সংক্রমণে ঝঁকিপূর্ণ কেন ?

ভূমিকা ঃ বয়স প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সব বয়সের মানুষের পক্ষে সব কাজ করা সম্ভব হয় না। বয়সের কোন পর্যায়ে মানুষ আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় আবার কোন পর্যায়ে সেই আবেগকে নিয়ন্ত্রন করতে শিখে। বিশেষ করে অল্প বয়সের মেয়েরা আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয়।

অল্প বয়সী মেয়েরা এইডস সংক্রমণে ঝঁকিপূর্ণ ঃ অনেক দেশে অনিয়ন্ত্রিত মাদকের ব্যবহার,অসচেতনতা,অশিক্ষা,দারিদ্র প্রভৃতি কারণে অল্প বয়সী মেয়েদের মধ্যে এইডস সংক্রমণের ব্যাপকতা মহামারী আকারে পৌঁছে গিয়েছে।এইডস রোগের পরিণতি যেহেতু ভয়াবহ তাই বিশেষ করে অল্প বয়সী মেয়েদেরকে এ বিষয়ে বিশেষভাবে সচেতন ও সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি থেকে জানা যায় যে নতুন এইচআইভিতে আক্রান্তদের অর্ধকেই ১৫-২৪ বছর বয়সী।এ বয়সী মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। এর প্রধান কারণগুলো হচ্ছে- ১।আর্থ-সামাজিক কাঠামোতে মেয়েদের দুর্বল অবস্থান।

২। এইচআইভি /এইডস সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব ৩। অনিয়ন্ত্রিত ও অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা কম। ৪। নারী-পুরুষের বৈষম্যের কারণে নারীর নিগৃহীত হওয়া। ৫। মেয়েদের বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য ৬। অনৈতিক ও অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন। ৭। আবেগকে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা।