১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কৃত্রিম বুদ্ধি আবিষ্কারের পথে চীন

শুরুটা বিখ্যাত হলিউড মুভি আয়রনম্যান থেকেই। বিজ্ঞানভিত্তিক ছবিটি যে এতটা প্রভাব ফেলবে চাইনিজ গবেষকদের মধ্যে তা হয়ত ভাবতে পারেনি অনেকেই। কিন্তু সেটাই সত্য হলো। আয়রনম্যান ছবিটিতে প্রযুক্তিনির্ভর সুপার স্যুট পরে নায়ক বিভিন্ন সাহসী কাজ করে বেড়ায় তার প্রিয় দেশ আমেরিকাকে রক্ষা করার জন্য। কাজ শেষে আবার খুলে রাখে। বিমানের মতো উড়তে পারে সে। সর্বাধুনিক টেলিকমিউনিকেশন সংযুক্ত থাকায় বিশ্বের যে কোন প্রান্তে আয়রনম্যান সেকেন্ডে যোগাযোগ করতে পারে। সাগরের অন্ধকার তল থেকে শুরু করে মহাশূন্যেও দৌড়ে বেড়ায় আয়রনম্যান। চীনা গবেষকরা এখন নিজেরাই হতে চান আয়রনম্যান। চায়না ডেইলি এমনটাই পূর্বাভাস দিয়ে খবর ছেপেছে। খবরের সঙ্গে যে ছবি তারা প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা যায়, দু’জন গবেষকের মধ্যে একজনের মাথায় অদ্ভুত আকৃতির একটি হেলমেট। সেখানে অনেকগুলো সুইচ গিয়ার। সামনে একটি অনুভূতিশীল রোবট। অন্য পাশে একটা স্থির ড্রোন রয়েছে। আর মূল কাজটা গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখছেন অন্য একজন গবেষক। চাইনিজ গবেষকরা মানুষের মস্তিষ্ক দিয়ে রোবট নিয়ন্ত্রণ করতে পারা যাবে এই গবেষণাকাজের শেষ প্রান্তে। সফলতার মুখ যে কোন দিন তারা দেখবে এমনই আশা করেন পিএলএ তথ্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ওয়াং ইউচেং। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, মানুষের মাথার খুলির উপরে একটি বিশেষ ম্যাগনেটিক হেলমেট থাকবে। আর সেই হেলমেট দিয়ে সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে রোবটকে।

মজার বিষয় হলো, আমেরিকায় রোবটিক্স এ্যান্ড হিউম্যান ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি অব ক্যালিফোনিয়া আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্ট ওপর গবেষণা করছিল ২০০০ সাল থেকেই। আর এই গবেষণার কাজটি হচ্ছিল একেবারে লোকচক্ষুর আড়ালে। কিন্তু চাইনিজ গবেষকরা গণমাধ্যমকে এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা এই গবেষণার একেবারে শেষের দিকে। তাই এই কথা হয়ত বলাই যায় সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন মানুষের সেই স্বপ্নের আয়রনম্যান বাস্তবে উন্মোচিত হবে।

চন ভিন ওয়াং, চায়না ডেইলি