২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আর নয় কোচিং ব্যবসা

সব বাবা-মা-ই চান তাদের ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যত যেন ভাল হয়। তারা যে সুযোগ-সুবিধা পাননি তাদের ছেলে-মেয়ে যেন সেটা পায়। তাই তারা তাদের ছেলে-মেয়েদের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ভর্তি করেন যেন তারা আরও ভালভাবে পড়াশোনা করতে পারে। কিন্তু কোচিং সেন্টারগুলো ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার এতই চাপ দেয় যে তাদের পক্ষে সেই চাপ নেয়া কষ্টকর হয়। ফলে তারা ঘাবড়ে যায়। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও তাদের গাদা গাদা নোটবই পড়তে বাধ্য করা হয়। প্রতিদিনই কোন না কোন পরীক্ষা থাকে। তার সঙ্গে স্কুলের পড়াত আছেই।

এ সবকিছু মোটেও তাদের মেধা বিকাশের অনুকূলে নয়। যে সময়ে তাদের মাঠে খেলাধুলা করার কথা ওই সময়ে বই খাতা নিয়ে পড়তে হয়। যার ফলে দিন দিন ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

কোচিং সেন্টারে ভর্তি করিয়ে বাবা-মায়েরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন ঠিকই কিন্তু তাদের বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সেটা ভেবে দেখেন না।

তাই এসব নামধারী কোচিং সেন্টারগুলোর ব্যবসা বন্ধ করে আমাদের দেশের কঁচি ছেলে-মেয়েদের মেধার মুক্ত বিকাশের সুযোগ দেয়ার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জয়ন্তী দাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ’

গত ৪ অক্টোবর দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত “রাজশাহীর বিএমডিএতে কোণঠাসা সরকার সমর্থকরা” মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সে প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, এ যাবত বিএমডিএর কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি- সব সরকারী নিয়ম মেনেই হয়েছে। বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক লাঞ্ছিত হওয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। খবরে প্রকাশ- বিএনপি সমর্থক কর্মকর্তা আবদুল হালিম, আতাহার আলী ও রবিউল ইসলাম কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বদলি, নিয়ন্ত্রণ করে খবরটি সত্য নয়। তারা বিএমডিএ কর্মচারী ইউনিয়ন রাজ-১৫০০-এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। ওই সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের অন্তর্ভুক্ত। সিবিএ ২০০৬ সালে বিএনপি, জামায়াত সমর্থিত প্যানেলকে পরাজিত করে অদ্যাবধি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাছাড়াও বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মোঃ কামাল উদ্দীনকে জিম্মি করে ফাইল স্বাক্ষর নেয়া কথাটি সর্বৈব মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাহী পরিচালক মহোদয়ের অনুমোদনক্রমে সচিব, বিএমডিএ কর্তৃক প্রশাসন শাখায় সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে তার কাছে বিএমডিএর প্রশাসন বিভাগ জিম্মি কথাটি একেবারে ভিত্তিহীন। অবৈধ সুবিধা নিতে কাউকে জিম্মি করে ফাইলে স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। এ ছাড়া প্রতিবেদনে উল্লেখিত কর্মকর্তাগণ বিএমডিএ সদর দফতরে ২০ বছর ধরে অবস্থান করছেন- এ কথাটি সত্য নয়। উল্লেখিত কর্মকর্তাগণ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ হয়ে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকৃতপক্ষে এক স্বার্থান্বেষী মহল অবৈধ সুবিধা নেয়ার জন্য এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে। সুতরাং প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মোঃ শরীফুল হক

সচিব (ভারপ্রাপ্ত)

বরেন্দ্র ভবন, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী।

ভিসা প্রাপ্তিতে বিড়ম্বনা

আশা করেছিলাম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে ভারতীয় ভিসার জটিলতা দূর করা হবে কিন্তু কি কারণে তা হয়নি ভাবতে অবাক লাগছে। ৩ থেকে ৪ হাজার টাকার বিনিময়ে ই-টোকেন সহজে পাওয়া গেলেও ভিসা মিলবে এ নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারছে না। ভিসা ফি ৬০০ টাকা নেয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে শত শত বাংলাদেশীকে ভিসা দেয়া হয় না আবার ভিসা ফির টাকাও ফেরত দেয়া হয় না। এটা অমানবিক এবং এক ধরনের প্রতারণা। একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভারতীয় ভিসা এ্যাপলিকেন্ট সেন্টার হাইকমিশনের দুর্নীতিবাজ লোকজনের সহযোতিায় ই-টোকেন গভীর রাতে ক্ষণিকের জন্য ছেড়ে থাকেন। এতে এটাই প্রমাণ করে যে, ভারতীয় হাইকমিশনের ভিসা অফিসার মি. সন্ধীপানি ভট্টাচার্য গত ১৯ মার্চ ২০১৫ ঢাকায় শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে কলকাতা যাওয়ার সময় ৩৮ হাজার ডলারসহ শুল্ক বিভাগের কাছে ধরা পড়েন। ভারত সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব সুদৃঢ় করলেও সহজভাবে ভিসা না পেলে এদেশের জনগণ ভারতের ওপর সব সময় ক্ষোভ ও ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। যে ভারতকে বাংলাদেশ সবরকম সুযোগ-সুবিধা দিয়েও ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন বাংলাদেশীদের সহজে এবং দ্রুত ভিসা দিতে এত অনড় কেন?

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, ঢাকা

অসুস্থ প্রদর্শনী!

মানুষ এখন অনেক বেশি রাজনীতি সচেতন, অনেক বেশি আত্মপ্রচারমুখী। কালের বিবর্তন আর প্রযুক্তির আশীর্বাদের কারণে মানুষের আত্মপ্রচারের অভিলাষ বা ঢংটাও বেশ ডিজিটালাইজড হয়েছে। নিজে কোন বিশেষ দলের একনিষ্ঠকর্মী বা সমর্থক তা দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে তুলে ধরতেই হবে বা সামনে কোন পদপ্রত্যাশী সেটাও তুলে ধরতে হবে জনসম্মুখে। কিন্তু সেটা কতটা মার্জিত বা শুভনীয় উপায়ে হবে, সেই বিবেচনা বোধটাই আমাদের নব্য পদপ্রত্যাশী বা কর্মী-সমর্থকদের মাথায় অনুপস্থিত থেকে যায়। সবকিছুর উর্ধে এসব প্রচারের জন্য চাই একটা রাজনৈতিক উপলক্ষ। এজন্য বর্তমানে জন্ম থেকে মৃত্যু দিন, কোনটাই বাদ যায় না, সবই রাজনৈতিক কর্মসূচী। প্রসঙ্গক্রমে গণমাধ্যমে কিছু ছবি ও প্রতিবেদন পড়ে কিছু আত্মোপলব্ধি হলো- অনুশোচনা আর বিবেচনাবোধে একটা ধাক্কা খেলাম। এছাড়া প্রতিবেদনগুলোতে ব্যবহৃত ছবির কারণে সহজেই ভালবাসা ও আত্মপ্রচারের পার্থক্যটা অনুভব করলাম। বাংলাদেশে কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্মেছিলেন। যাদের আত্মত্যাগের কথা বলে শেষ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তেমনি এক মানবীয় উপাখ্যান, উজ্জ্বল নক্ষত্র। যারা নিজের আত্মপ্রচার করে আজ সাধারণ মানুষের মানসলোকের উজ্জ্বল তারা নয়, মানুষের জন্য আত্মোৎস্বর্গ করার মধ্য দিয়েই উজ্জ্বল হয়ে আছেন। কিন্তু বর্তমান আত্মপ্রচার অভিলাষী মানুষের মাঝে এ অনুভূতিটিই যেন উপেক্ষিত।

সুমিত বণিক

কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ

sumitbanikktd.guc@gmail.com