২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লাতিন সমর্থনও পেলেন প্লাতিনি

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ গত দেড়যুগ ধরে নেতৃত্বে কোন পরিবর্তন দেখেনি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। কিন্তু এবার সেটার পথ তৈরি হয়ে গেছে। আগেই ব্লাটার জানিয়েছিলেন তিনি সরে দাঁড়াবেন। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তিনি জানিয়েছিলেন আগামী বছর নতুন করে সভাপতি নির্বাচনের পর দায়িত্ব ছাড়বেন। কিন্তু এর আগেই ফৌজদারি আইনে তদন্ত পরিচালনা শুরু হয়ে যায় ব্লাটারের বিরুদ্ধে। সে কারণে তাকে ৩ মাসের জন্য ফিফা এথিকস কমিটি সব ধরনের ফুটবল কর্মকা- থেকে নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং বরখাস্ত করে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে। তার উত্তরসূরি হওয়ার ক্ষেত্রে ফেবারিট উয়েফা সভাপতি মিশেল প্লাতিনিও ৩ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। অভিযোগ ব্লাটারের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ। দু’জনই এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। তবে নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৪ মাস। সে কারণে এখন ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত নির্বাচন পেছানোর চিন্তা করছে ফিফা। প্লাতিনি আপিলে জিতে গেলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন, সেজন্যই এমন চিন্তা করছে ফিফা। প্লাতিনি ইতোমধ্যেই ইউরোপের ৫৪ দেশের ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন পেয়েছেন। এবার তার সমর্থনে দক্ষিণ আমেরিকা কনফেডারেশনও এগিয়ে এসেছে।

ফিফা এথিকস কমিটি যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাকে পুরোপুরি অসময় এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করছেন অনেকে। কারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। যে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত শুরু হয়েছে ব্লাটারের বিরুদ্ধে সেটার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে এ উয়েফা সভাপতিরও। সুইস এ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে বলা হয়েছে প্লাতিনিকে ২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঙ্ক ঘুষ প্রদান করেছেন ব্লাটার। যদিও এসব অস্বীকার করেছেন ব্লাটার এবং প্লাতিনি উভয়ে। প্লাতিনি যেহেতু নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন সেক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সময় প্রয়োজন হবে প্লাতিনির। তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগও মিথ্যা প্রমাণ হতে পারে। চলতি মাসের ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রার্থিতার মনোনয়ন নেয়ার শেষ সময়। ইতোমধ্যেই মনোনয়ন নিয়েছেন প্লাতিনি। তার অবস্থানটাও বেশ দৃঢ়। এ কারণে এবার ফিফা নির্বাহী কমিটি জরুরী একটি সভার আহ্বান করেছে আগামী সপ্তাহে। জরুরী এ মিটিংয়ের মূল এজেন্ডা থাকবে সভাপতি নির্বাচন পেছানো। ইতোমধ্যেই প্লাতিনির পক্ষে ইংল্যান্ডের ফুটবল এ্যাসোসিয়েশন (এফএ) পদক্ষেপ নিয়েছে। উয়েফার আরও ৫৪ সদস্য দেশের ফুটবল সংস্থা নেতারা মিলিত হচ্ছেন ফিফা নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য। সেখানেও নির্বাচন পেছানোর বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। উয়েফার পর এবার প্লাতিনির পক্ষে সমর্থন নিয়ে এগিয়ে এসেছে সাউথ আমেরিকান কনফেডারেশন (কনমেবল)।