২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে॥ ক্রিস্টিন লাগার্দ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার॥ স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দ। পেরুতে বিশ্বের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নরদের সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধে প্রতিটি দেশেরই কঠোর হতে হবে।

সম্মেলনে জানানো হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে ১০ হাজার কোটি ডলার দেবে উন্নত এবং ধনী দেশগুলো।

বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কার শেষ নেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কিংবা বিশ্বব্যাংকের। কারণ উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এ ধরনের অনেক সমস্যা। আর তাই পেরুতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এসব বিষয়কেই প্রাধান্য দিচ্ছে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে একইসাথে আলোচনা চলছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থিক খাত শক্তিশালী করার নানা বিষয় নিয়েও।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দ বলেন, ‘অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আমাদের কাজ না। জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে যে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানো উচিত, সে প্রচারণা চালানোও আমাদের কাজ না। তারপরও এসব বিষয়ে এ সম্মেলনে আলোচনা করতে হচ্ছে। কারণ প্রত্যেকটা দেশের সরকারকে এখনই এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা উচিত। কারণ এ বিষয়গুলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ ও দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করবে বিশ্বের ধনী দেশগুলো।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, ‘বিশ্বের ধনী দেশগুলো, বিভিন্ন ব্যাংক ও ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বব্যাংকরে গ্রুপ স্থির করেছে যে, কার্বন নিঃসরণ রোধে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ১০ হাজার কোটি ডলার অর্থ সহায়তা দেয়া হবে। এতো মোটা অঙ্কের অর্থায়ন কঠিন হবে, কিন্তু এটা আমাদের করতেই হবে।’

এদিকে, অরগানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন, ওইসিডি বলছে, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন কর ফাঁকি দিতে না পারে, সেজন্য বিইপিএস নামের এমন একটি পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে, যেখানে জি-টুয়েন্টি ভুক্ত দেশগুলোতে গুগল কিংবা স্টারবাক্সের মতো প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত কর দিতে হবে না। তবে রাজস্ব আয় ৭৫ কোটি ইউরো হলে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর দিতে হবে। এরইমধ্যে প্রকল্পটি জি-টুয়েন্টি ভুক্ত দেশগুলোর অনুমোদন পেয়েছে।