২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এবার সমবায় প্রতিষ্ঠানেরও থাকতে হবে নিজস্ব ‘মানিলন্ডারিং নীতিমালা’

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সব ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মত এখন থেকে সমবায় সমিতিরও নিজস্ব একটি নীতিমালা তৈরি করতে হবে। যা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্বারা অনুমোদিত হবে। সোমবার মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সমবায় সমিতি কর্তৃক কি কি কাজ করতে হবে তার নির্দেশনা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল উন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) একটি সার্কুলার জারি করেছে। দেশে কার্যরত সকল সমবায় সমিতিকে এ নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, নিজম্ব নীতিমালার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা কমিটির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রধান কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠন করতে বলা হয়েছে। যা সরাসরি সমিতির নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক তত্ত্বাবধান করতে হবে।

সমবায় সমিতি সমূহ তাদের গ্রাহক/সদস্য, প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী (ব্যক্তি, দল বা সংগঠন), ভৌগলিক এলাকা, পণ্য, সেবা, লেনদেন বা সেবা প্রদান চ্যানেল ইত্যাদি বিষয়সমূহ বিবেচনা করে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি যথাযথভাবে নিরুপন ও পর্যালোচনা করে তা মোকাবেলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বিএফআইইউ। পাশাপাশি গ্রাহক বা সদস্য নির্বাচনেরও একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করতে বলা হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট ফরমে প্রতি গ্রাহকের আলাদা আলাদ পরিচিতি সংরক্ষণ করতে হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেনামে বা ছদ্মনামে কোন গ্রাহক/সদস্যের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করা যাবে না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্ত কোন ব্যক্তি বা সত্তা এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তালিকাভুক্ত কোন ব্যক্তি বা নিষিদ্ধা ঘোষিত সত্তার কাছ থেকে কোন আমানত সংগ্রহ বা কোন ঋণ প্রদান না করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর সন্দেহজনক লেনদেন খুঁজে পেলে তা দ্রুত প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ কন্টাক্ট পয়েন্টে এর নিকট প্রেরণ করতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের সমবায় সমিতিগুলোর ক্ষেত্রে কন্টক্ট পয়েন্ট এ তথ্যগুলো দ্রুত কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট বরাবর প্রেরণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন ও ব্যাপক ধ্বংসাত্বক অস্ত্রের বিস্তারে অর্থায়ন প্রতিরোধেও দেয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা। গ্রাহক সমস্যের আমানত/ঋণ সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিলাদি ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ হওয়ার তারিখ হতে অন্যূন ৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সহ প্রয়োজনীয় ত্যাথ্যাদি কিভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে তারও বিশদ বর্ননা দেয়া হয়েছে েএ নির্দেশনায়। নির্দেশনাটি কার্যকর করতে দেশে কার্যরত সকল সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান/সম্পাদক বারাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।