১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘৯০ ভাগই লোকই তদবির করতে আসেন’

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তদবিরের কাছে নতজানু না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। তিনি আরও বলেন, তদবিরের কারণে বড় ধরনের ঠেকায় আছি। আমার কাছে প্রতিদিন যত মানুষ আসেন তার ৯০ ভাগই তদবির করার জন্য আসেন। সেই তদবিরের ৮৯ ভাগ আবার অবৈধ (আন ফেয়ার) তদবির।

সোমবার সচিবালয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ পরামর্শ দেন তিনি।

এমএ মান্নান বলেন, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দৈনন্দিন যে কাজ করতে হয় তার মধ্যে ৯০ ভাগই তদবির। এ তদবির সংস্কৃতির নতজানু থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার এবং নৈতিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, দেখা গেছে কোনো ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা চেয়ারম্যানের ফোন নম্বর আমার কাছে নেই। তদবিরকারীরাই সেই নম্বর নিয়ে আসেন। তাঁরা আর কিছু না জানুক, ডিও শব্দটি জানেন। তাঁরা এসে বলেন, দুই টন গমের জন্য একটি ডিও লেটার দেন। তাঁরা আমার প্যাড নিয়ে গিয়ে কম্পিউটারে লিখে আনেন।

এই অনুষ্ঠানে সাতটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক বছরের জন্য চুক্তি সই হয়। সরকারের পক্ষে অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও জীবন বীমা কর্পোরেশন।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রায়ত্ত সকল বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ‘পারফরমেন্স কন্ট্রাক্ট’ স্বাক্ষর করেছিল সরকার।

নির্বাচিত সংবাদ