২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শুরু হচ্ছে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মরুর দেশ আরব আমিরাতের আবুধাবিতে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মঙ্গলবার মাঠে নামছে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড। ২০০৯ সালের মার্চে লাহোরে সফরকারী শ্রীলঙ্কা দলের টিম বাসে বন্দুকধারীর আক্রমণের পর থেকে পাকিস্তানের মাটিতে নির্বাসিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ক’দিন আগে অবশ্য জিম্বাবুইয়ে সেখানে ওয়ানডে ও টি২০ খেলে। বড় দলগুলোর সঙ্গে দেশটির সকল দিপক্ষীয় সিরিজ হয়ে আসছে আমিরাতে। সে অর্থে আমিরাত পাকিস্তানের দ্বিতীয় ‘হোম ভেন্যু’।

যেখানে দলটির সাফল্যের পাল্লাও ভারি। ২০১২ সালে এই আমিরাতেই ইংল্যান্ডকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করে পাকিস্তান। বল হাতে একাই ইংলিশদের গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন স্পিনার সাঈজ মঙ্গলবার মল। এবার তিনি নেই, তবে আছেন লেগস্পিনার ইয়াসির শাহ। সম্প্রতি বল হাতে ‘জাদু’ দেখাচ্ছেন তিনি। লেগি ইয়াসিরকে সামনে রেখেই ইংলিশ-বধের ছক কষছেন মিসবাহ-উল হক।

এমনিতে উপহাদেশের কন্ডিশনে ইংলিশদের অতীত রেকর্ড ভাল নয়। তার ওপর আমিরাতের প্রচ- গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা কুকদের। গত কয়েকদিন প্র্যাকটিসে কঠিন সংগ্রাম করতে দেখা গেছে জো রুট, মঈন আলীদের। ঘরের মাটিতে সদ্য এ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করলেও এই সিরিজটা ইংল্যান্ডের জন্য তাই মোটেও সহজ হবে না। প্রতিকূল পরিবেশ জয় করেই সাফল্য চান সেনাপতি কুক। দলের ব্যাটিংয়ের বড় ভরসা জো রুটও মরিয়া।

আগেরবারের মতো লজ্জা এড়াতে চাইলে এবারও পাকিস্তানের নতুন স্পিন আক্রমন সামাল দিতে হবে ইংলিশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে সিরিজের মুল ‘থিম’ এটাই। ২০১২ সালের ওই সিরিজে ইংল্যান্ডকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করার পথে সাঈদ আজমল ২৪ ও অপর স্পিনার আব্দুর রেহমান নিয়েছিলেন ১৯ উইকেট! এবার দুজনই নেই। তবে আছেন ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা লেগস্পিনার ইয়াসির, সঙ্গে অফস্পিনার জুলফিকার বাবর। প্র্যাকটিসে সামান্য অস্বস্তিতে থাকলেও মঙ্গলবার ইয়াসির খেলবেন বলে আশাবাদী পাকিরা।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া