২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিএনপির অবরোধের ২৮০ তম দিন ॥ শঙ্কায় যুক্তরাজ্য

অনলাইন ডেস্ক ॥ বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ ২৮০ তম দিনে গড়াল আজ সোমবার। জোটের ‘চলমান’ এই হরতাল ও অবরোধ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর। এই অবরোধ ও হরতাল নিরাপত্তাহীনতার কারণ হতে পারে বলেও দেশটি তাদের দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে।

বাংলাদেশে বসবাসরত ও ভ্রমণ-ইচ্ছুকদের জন্য দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বার্তায় এ কথা বলা হয়েছে।

গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটার দিকে ‘সন্ত্রাসবাদের উচ্চ ঝুঁকি, পশ্চিমাদের লক্ষ্য করে আবার হামলা হতে পারে’ শীর্ষক এই সতর্কবার্তাটি পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েব সাইট ও তাদের ফেস বুক পেজে আপলোড করা হয়। এখনো তা বলবৎ রাখা হয়েছে।

সরকার পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধ ও হরতালের ডাক দেয় বিএনপি জোট। জোটের ডাকা সেই অবরোধে ২৮০ তম দিন আজ। বাস্তবে এই হরতাল ও অবরোধের কার্যকারিতা দেখা না গেলেও বিএনপি জোট আনুষ্ঠানিকভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। অবরোধের মধ্যে নির্দিষ্ট মেয়াদের হরতালেরও ডাক দেওয়া হতো। তবে এখন আর হরতালের কোনো কর্মসূচি ২০ দলের নেই।

বিএনপি-জোটের এই কর্মসূচি নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে উল্লেখ করে যুক্তরাজ্য এক বার্তায় নিজ নাগরিকদের সতর্ক করেছে। তাদের আশঙ্কা যেকোন সময় শহরাঞ্চলে সহিংসতা শুরু হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্তায় এ ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে সরকার ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের মধ্যে অস্থিরতা চলছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বিরোধীরা দেশব্যাপী সড়ক, নৌ ও রেলপথে অবরোধ ডাকে। পাশাপাশি হরতালের কর্মসূচি দেয়। এরপর কয়েক মাসে অনেক মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে গণপরিবহনে আগুন দেওয়ায় অনেকে মারা যায়। যদিও এই হরতাল ও অবরোধ আনুষ্ঠানিক ভাবে তুলে নেওয়া হয়নি। তবে এই রাজনৈতিক হানাহানি চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে কমে আসে।

প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, এই প্রতিবাদ ও আন্দোলন দ্রুতই সহিংসতায় রূপ নিতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে। সারা দেশে বিশেষ করে নগর ও মহানগরে যেকোনো সময়ে সহিংস হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ কারণে দেশটি এখানে বসবাসরত নাগরিক ও ভ্রমণ-ইচ্ছুকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে বড় লোকসমাগমস্থল, রাজনৈতিক দলের কার্যালয় এবং মিছিল-সমাবেশ স্থলে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।