২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থিতা ॥ ধনীরাই অর্থের যোগানদাতা

  • প্রথম পর্যায়ে ১৫৮ পরিবারের অনুদান ১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার

তারা এমন একটি দেশে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠভাবে শ্বেতাঙ্গ, বিত্তশালী, বয়স্ক ও পুরুষ অধিবাসী যে দেশ তরুণ-তরুণী, নারী, কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদামি বর্ণের ভোটারদের হাতে নতুন করে রূপায়িত হয়েছে।

অসমভাবে ছড়িয়ে থাকা একটি দেশের নানা প্রান্তের কিছু সংখ্যক নগর শহরের দামী মহল্লায় বিপুল সম্পদের মধ্যে তাদের বসবাস।

এমন একটি সমৃদ্ধশালী অর্থনীতি নানাবিধ মাথা ঘুরিয়ে দেয়া শিল্পের ধনকুবেরদের জন্ম দিয়েছে- সেখানে অধিকাংশই মাত্র দুটি খাতে তাদের ভাগ্য গড়ে তুলেছেন : পুঁজিবাজার ও জ্বালানি। এখন তারা তাদের বিশাল সম্পদ রাজনৈতিক অঙ্গনে বিনিয়োগ করছেন। ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট মনোনয়নপ্রার্থীদের ব্যয় মিটাতে তারা প্রাথমিক অর্থের প্রায় অর্ধেকের জোগান দিচ্ছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থিতার প্রচারভিযানের প্রথম পর্যায়ে ঠিক ১৫৮টি পরিবার ও সেই সঙ্গে তাদের মালিকানার বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানিগুলো ১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। ওয়াটারগেটের আগে এত কম লোক এবং বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান কোন প্রচারাভিযানে প্রারম্ভিক ব্যয়ের জন্য এত অধিক অর্থের জোগান দেয়নি। এর বেশিরভাগ অর্থ এমন চ্যানেলগুলোর মধ্যে দেয়া হয়েছে যা পাঁচ বছর আগে সুপ্রীমকোর্টের নাগরিক সম্মিলিত সিদ্ধান্তের দ্বারা অনুমোদন করা হয়েছে।

এসব দাতার ধনরাজি সমাজের আর্থিক ক্ষমতাশালীদের পরিবর্তনশীল বিন্যাসকেই প্রতিফলিত করে। এদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে মুষ্টিমেয় লোক কর্পোরেট আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী পদমর্যাদার কাজ করে থাকে কিংবা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত অর্থবিত্তের অধিকারী পরিবারসমূহ থেকে এসেছে। তাদের বেশিরভাগ তাদের প্রতিভা সক্ষমতার বিকাশ ঘটিয়ে এবং বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার ঝুঁকি গ্রহণের আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে নিজস্ব বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে।

তারা নিউইয়র্কে হেজ ফান্ড গড়ে তুলেছে, টেক্সাসে অবমূল্যায়িত তেলখনির ইজারা ক্রয় করেছে এবং হলিউডের বাণিজ্যসক্ষম ছবি নির্মাণ করেছে। একডজনেরও বেশি বিপুল প্রতিপত্তির দাতাদের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে। তাদের অনেকে কিউবা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, পাকিস্তান, ভারত এবং ইসরাইল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছেন। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস

ইরানে ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক দোষী সাব্যস্ত

গুপ্তচরবৃত্তি

মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের তেহরান ব্যুরো চিফ জ্যাসন রেজাইয়ানকে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে ইরানের এক আদালত। দেশটির বার্তা সংস্থা ইসনা রবিবার এ খবর জানিয়েছে। তবে মার্কিন দৈনিকটি বলেছে, রায়ের বিবরণ প্রকাশ না করে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ করছে তেহরান। খবর গার্ডিয়ানের।

ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র গোলাম হোসাইন মোহসেনি এজেইয়ের বরাত দিয়ে ইসনা বলেছে, ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা রেজাইয়ানকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে ২০ দিন সময় দেয়া হয়েছে। তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে তার রায়ের বিবরণ আমার কাছে নেই। এছাড়া তার দ-ের বিষয়টিও অস্পষ্ট রয়েছে। রেজাইয়ানকে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে এজেই টেলিভিশনে প্রচারিত সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, একটি রুল জারি করা হয়েছে। তখন তিনি বলেননি যে, রেজাইয়ান দোষী। এই মামলাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি স্পর্শকাতর ইস্যু।