১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে ॥ আইএমএফ প্রধান

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দ। পেরুতে বিশ্বের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নরদের সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধে প্রতিটি দেশেরই কঠোর হতে হবে।

সম্মেলনে জানানো হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে ১০ হাজার কোটি ডলার দেবে উন্নত এবং ধনী দেশগুলো।

বিশ্ব অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কার শেষ নেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কিংবা বিশ্বব্যাংকের। কারণ উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এ ধরনের অনেক সমস্যা। আর তাই পেরুতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এসব বিষয়কেই প্রাধান্য দিচ্ছে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে একই সঙ্গে আলোচনা চলছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আর্থিক খাত শক্তিশালী করার নানা বিষয় নিয়েও।

বাউফল থেকে ইলিশ রফতানি করে হাজার কোটি টাকা আয় সম্ভব

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল ॥ বাউফলের তেঁতুলিয়া নদী থেকে প্রায় ৭০ কোটি টাকার মা ইলিশ শিকার করা হয়েছে। আর এসব মা ইলিশ শিকার করা না হলে কয়েক হাজার কোটি টাকার আয় করা সম্ভব হতো। একাধিক নির্ভযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সরকার মা ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিন বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করেন। কিন্তু বাউফলে অসাধু জেলেরা সে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করেছেন। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে ৬ হাজার তালিকাভুক্ত জেলে রয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশ জেলেই সরকারের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা ভোগ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের জন্য তালিকার বাইরেও ২ হাজারের বেশি জেলে মা ইলিশ শিকার করেছেন। একটি মহল তাদের ভাড়া করে নিয়ে এসেছেন। ভাড়াকৃত এসব জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরত। তারা আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এক একজন জেলে প্রতিদিন গড়ে দুই পোন বা ১৬০টি (২০ হালি) মা ইলিশ শিকার করেছেন। এই হিসাব অনুযায়ী ৮ হাজার জেলে প্রতিদিন ১২ লাখ ৮০ হাজার করে ১৫ দিনে ১ কোটি ৯২ লাখ মা ইলিশ শিকার করেছেন। যার মূল্য গড়ে ৩শ’ ৫০ টাকা করে ৬৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, একটি মা ইলিশ ৩ লাখ থেকে ২০ লাখের বেশি ডিম ছাড়ে। তাই মা ইলিশ শিকার না করা হলে দেশের চাহিদা মেটানোর পরেও ইলিশ রফতানি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হতো।

সচেতন মহল মনে করেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ড আন্তরিকভাবে কাজ করলে ইলিশ শিকারের হার অনেকাংশে বন্ধ করা সম্ভব হতো।