১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঠিকানা মিলেছে ৫ লাখের, আরও ঠাঁই পাচ্ছে ১০ হাজার পরিবার ॥ সরকারী উদ্যোগে গুচ্ছগ্রাম

  • জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নামের আরেকটি প্রকল্প আজ উঠছে একনেকে

হামিদ-উজ-জামান মামুন ॥ সরকারী উদ্যোগে এখন পর্যন্ত মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫২টি পরিবারের প্রায় ৫ লাখ মানুষ। আদর্শগ্রাম-১, আদর্শগ্রাম-২ এবং গুচ্ছগ্রাম নামের প্রকল্পের মাধ্যমে এসব অসহায় মানুষকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে চলতি ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আরও প্রায় ১০ হাজার পরিবারের ৫০ হাজার মানুষের ঠিকানা গড়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য গুচ্ছগ্রাম-২ পর্যায় (ক্লাইমেট ভিকটিম রিহ্যাবিলিটেশন) নামের একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আশ্রয়হীন ভিটেমাটি সহায় সম্বলহীন মানুষদের একটি স্থায়ীয় আবাস গড়ে দিতে সর্বপ্রথম জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় থেকে পুনর্বাসন কাজ শুরু হয়। ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী জেলার রামগতি থানা পরিদর্শনের সময় নদী ভাঙ্গা, দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে খাস জমিতে পুনর্বাস কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। সে সময় বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় ৪টি গুচ্ছগ্রামে ১ হাজার ৪৭০টি পবিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। তারপর ধারবাহিকভাবে বিভিন্ন সময় এ সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

১৯৮৮ সাল থেকে মূলত সরকারী খাস জমিতে ইকোভিলেজ স্থাপনের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ পুরোপুরি শুরু হয়। এ সময় ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয় আদর্শ গ্রাম-১ শীর্ষক একটি প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছিল ৮৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছিল মোট ব্যয়ের ৪০ শতাংশ অর্থ আর বাকি ৬০ শতাংশ অর্থ সহায়তা দিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পেয়েছিলেন ৪৫ হাজার ৬৪৭টি পরিবার।

১৯৯৮ সালের জুলাই মাস থেকে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছিল আদর্শগ্রাম-২ শীর্ষক প্রকল্পটি। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হয়েছিল ১৬৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারী তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছিল ৫৪ দশমিক ২২ শতাংশ অর্থ আর বাকি অর্থ সহায়তা দিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঠিকানা হয়েছিল ২৫ হাজার ৩৫৮টি পরিবারের।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে গুচ্ছগ্রাম-১ শীর্ষক একটি প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হয়েছিল ১৮৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে সম্পূর্ণ জাপানী ঋণ মওকুফ সহায়তা তহবিলের (জেডিসিএফ) অর্থে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঠাঁই হচ্ছে ১০ হাজার ৬৫০টি পরিবারের। এ চারটি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি পরিবারে গড়ে মোট পাঁচ জন সদস্য ধরলে ৮৩ হাজার ১৫২টি পুনর্বাসিত পরিবারের ৪ লাখ ১৫ হাজার ৭৬০ জন সদস্যের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় হাতে নেয়া হচ্ছে গুচ্ছগ্রাম-দ্বিতীয় পর্যায় (ক্লাইমেট ভিকটিম রিহ্যাবিলিটেশন) প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়নে কাজ শেষ করবে ভূমি মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশেল পল্লী অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোাগ এবং নদী ভাঙ্গনের ফলে দুর্গত পরিবারগুলোকে সরকারী খাস জমিতে সৃজিত ইকোভিলেজে বসতভিটাসহ পুনর্বাসন করা হবে। সেই সঙ্গে পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, আয় বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ঋণ, নিরাপদ সুপেয় পানি, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় একক নামে পবিারগুলোকে কবুলিয়ত প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হবে।

এ বিষয়ে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার সিরাজুল আহম্মেদ বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের পাশে সহায়তা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে সরকার। নিঃস্ব মানুষগুলো তাদের একটি ঠিকানা পাবে। মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে। শুধু তাই নয় তাদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে নেয়া হবে নানা কর্মসূচী। এর মাধ্যমে মানুষগুলোর একটি স্থায়ী আবাস সৃষ্টি হবে। এসব বিবেচনায় প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, খাসজমিতে গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় বসতভিটা উঁচুকরণ, পুকুর খনন, পুনঃখনন ও সংযোগ রাস্তা নির্মাণ করা, প্রতিটি পরিবারে জন্য ৩০০ বর্গফুটের পিলার স্পেশ বিশিষ্ট আরসিসি পিলারসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর এবং পাঁচ রিং বিশিষ্ট স্যানিটারি ল্যাট্রিন তৈরি করা, নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রকার গভীর-অগভীর নলকূপ/রিংওয়েল/পন্ডস্যান্ড ফিল্টার ইত্যাদি স্থাপন, পুনর্বাসিত পরিবারসমূহের মাঝে বিআরডিবির মাধ্যমে আয়বর্ধনমূলক কর্মকা- পরিচালনা করা, প্রতিটি গুচ্ছগ্রামে অন্তত একটি করে মাল্টিপারপাস হলো নির্মাণ করা এবং আদর্শগ্রাম প্রকল্পের অধীনে প্রতিষ্ঠিত গ্রামসমূহের প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য সামসুদ্দিন আজাদ চৌধুরী পরিকল্পনা কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ফলে পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, আয় বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ঋণ, নিরাপদ সুপেয় পানি, স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে, যা সার্বিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তাই এ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর গত ২২ জুন পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায় প্রকল্পটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে অর্থবছর ভিত্তিক অর্থ বরাদ্দের চাহিদা ধরা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬৯ কোটি ৯২ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৭০ কোটি ৬৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫০ কোটি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং প্রকল্পের শেষ অর্থবছরে (২০১৯-২০ ) ২৮ কোটি ৫৫ লাখ ২১ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, ইতোমধ্যেই দেশের যেসব স্থানে গুচ্ছগ্রামগুলো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার হাজীপুর, সোনালীবার্তা-রূপালীবার্তা, ভালুম-২, নয়াচর ও সোনালীবার্তা-২ গুচ্ছগ্রাম। ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার চাপুলিয়া-১ ও চাপুলিয়া-২ গুচ্ছগ্রাম, সদর উপজেলার কবিরপুর ১, কবিরপুর-৩, কবিরপুর-৪, নর্থ চ্যানেল-৪, ও বাখুন্ডা-৩ গুচ্ছগ্রাম এবং বোয়ালমারী উপজেলার রূপদিয়া গুচ্ছগ্রাম। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদহ-৩, হরিদাসপুর, রঘুনাথপুর, ইছাখালী ও পদ্মাবিলা গুচ্ছগ্রাম। জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, জিগাতলা-২ গুচ্ছগ্রাম, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাকাতিয়াপাড়া-২, হালকা হাবরাবাড়ী-৩ গুচ্ছগ্রাম, মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতাপাড়া ও হিদাগাড়ী গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার চর যথার্থপুর, রেহাই গজারিয়া ও বাঁশচড়া গুচ্ছগ্রাম। কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার সেকান্দরনগর গুচ্ছগ্রাম। মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার পিয়ারপুর ও শিবচর উপজেলার চর জানাজাত গুচ্ছগ্রাম। মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার সুয়াখারা গুচ্ছগ্রাম। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চুরখাই, চর ঈশ্বরদিয়া-১, চর ঈশ্বরদিয়া-২ এবং হালুয়াঘাট উপজেলার সাংড়া গুচ্ছগ্রাম। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পাটুরিয়া গুচ্ছগ্রাম। শেরপুর জেলার নলিতাবাড়ী উপজেলার ধনভাঙ্গা, নাকুগাঁও ও কালাকুয়া, শ্রীবর্দী উপজেলার ষাইটকাকড়া, সদর উপজেলার গোয়ালগাঁও এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার গমরা গুচ্ছগ্রাম। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আম্বাড়িয়া গুচ্ছগ্রাম। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি গুচ্ছগ্রাম এবং শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার বাহেরচর গুচ্ছগ্রাম। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার জয়েনপুর, দামোদরপুর, সদরপাড়া, মন্দুয়ার এবং জয়েনপুর-২ গুচ্ছগ্রাম। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লাটশালা, তিস্তা, দক্ষিণ শাহবাজ গুচ্ছগ্রাম (৩টি)। সাঘাটা উপজেলার সাউথউল্যা চরপাড়া, সাউথ দিঘলকান্দি-২ এবং গোবিন্দি-২ গুচ্ছগ্রাম। ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি গুচ্ছগ্রাম। রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পালানু শাহপুর গুচ্ছগ্রাম, পীরগাছা উপজেলার দাদন এবং সুলিপাড়া মুকসুদ খাঁ গুচ্ছগ্রাম, রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী-গড় ১-২ গুচ্ছগ্রাম, কাউনিয়া উপজেলার বাবুরদিঘী গুচ্ছগ্রাম, বদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাউচ-ি ও ট্যাক্সেরহাট চৌরিবিল গুচ্ছগ্রাম, বদরগঞ্জ উপজেলার বৈরামপুর সরকারপাড়া গুচ্ছগ্রাম, গংগাচড়া উপজেলার বড়বিল ও শংকরদহ গুচ্ছগ্রাম এবং মিঠাপুকুর উপজেলার দৌলতনূরপুর গুচ্ছগ্রাম। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ধোলাউরী, মাহতাবপুর ও কাশিমনগর গুচ্ছগ্রাম, বিরল উপজেলার উত্তর পলাশবাড়ী ও মহেষদিঘী গুচ্ছগ্রাম, পার্বতীপুর উপজেলার কাশিপুকুর ও ইন্দ্রপুর দুরাকুঠি গুচ্ছগ্রাম, ঘোড়াঘাট উপজেলার নয়নদিঘী গুচ্ছগ্রাম, চিরিবন্দর উপজেলার ছোট বাউল শ্মশানখালী গুচ্ছগ্রাম, হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট, খানসামা উপজেলার সুবর্ণখালী আদিবাসী ও বাসুলী গুচ্ছগ্রাম, নবাবগঞ্জ উপজেলার হাসারপাড়া ও শাহজাদপুর গুচ্ছগ্রাম এবং কাহারোল উপজেলার সিংগাড়ীগাঁও গুচ্ছগ্রাম। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চেংটাপাড়া, নাগেশ্বরী উপজেলার কুলামুয়া কালারচর, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর সাত-গোলাপপুর, ফুলবাড়ী উপজেলার চড় গোরকম-ল ও যতিন্দ্রনারায়ণ গুচ্ছগ্রাম, উলিপুর উপজেলার ফকির মোহাম্মদ ও গে-ার আলগা গুচ্ছগ্রাম। লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া গুচ্ছগ্রাম, পাটগ্রাম উপজেলার উফারমারা ও বাংলাবাড়ী গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার হরিণচড়া গুচ্ছগ্রাম। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গলনা, কুটিপাড়া ও কুটিপাড়া-২ গুচ্ছগ্রাম, সৈয়দপুর উপজেলার নিজবাড়ী, কিশোরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাহাগিলি এবং ডিমলা উপজেলার শালহাটি গুচ্ছগ্রাম। পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার দারখোর ও বুড়ারবন্দর গুচ্ছগ্রাম, বোদা উপজেলার মারিয়া কমলাপুকুরী এবং দেবীগঞ্জ উপজেলার করতোয়া গুচ্ছগ্রাম। ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার রামপুর, রাণীশংকৈল উপজেলার বসতপুর, বাঁশবাড়ী গুজাহার ও নাগর গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার দক্ষিণ বাতিনা গুচ্ছগ্রাম।

বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার নর্থ মানিকদৈর, কুমরপুর, লক্ষ্মীখেলা, ধরা বরিষা, ধরাবর্ষা-৪, উত্তর শনপঁচা ও নান্দিনারচর গুচ্ছগ্রাম, ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ও আড়কাটিয়া গুচ্ছগ্রাম, শিবগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর ও জন্নাথপুর গুচ্ছগ্রাম এবং সোনাতলা উপজেলার সিচারপাড়া-১ ও সিচারপাড়া-২ গুচ্ছগ্রাম। নাটোর জেলার সদর উপজেলার পিরজীপাড়া ও বাসিলা গুচ্ছগ্রাম এবং লালপুর উপজেলার রসুলপুর গুচ্ছগ্রাম। নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার কাশিপুর ও বৈদ্যবাটী গুচ্ছগ্রাম, মহাদেবপুর উপজেলার বিলশিকারী গুচ্ছগ্রাম, নিয়ামতপুর উপজেলার রাউতাল গুচ্ছগ্রাম এবং রানীনগর উপজেলার রায়পুর, ঘাটাগণ ও আগিনাগাড়ী গুচ্ছগ্রাম। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া, চর মিরকামরী ও চর মিরকামরী-২ গুচ্ছগ্রাম এবং আটঘরিয়া উপজেলার পার খিদিরপুর গ্রাম। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার কোয়েল গুচ্ছগ্রাম এবং গোদাগাড়ী উপজেলার নরসিংগর গুচ্ছগ্রাম। সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ফুলজোড় গুচ্ছগ্রাম, রায়গঞ্জ উপজেলার চৌধুরী ঘুঘাট ও সিমলা পূর্বপাড়া গুচ্ছগ্রাম, উল্লাপাড়া উপজেলার মাগুড়াডাঙ্গা ও মহিষাখোলা গুচ্ছগ্রাম, তাড়াশ উপজেলার বড়পৌতা গুচ্ছগ্রাম, শাহজাদপুর উপজেলার পাকুরতলা ও পাকুরতলা-২ গুচ্ছগ্রাম এবং সদর উপজেলার বাঐতরা গুচ্ছগ্রাম। আর জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার বানারপুকুর ও তাঁতীপুকুর গুচ্ছগ্রাম। বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলার খেগড়াঘাটি ও মোস্তফাপুর গুচ্ছগ্রাম, মোংলা উপজেলার কানাইনগর, রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর-২, ফকিররহাট উপজেলার শুভাদিয়া, কুমারখালী ও ভাবনা গুচ্ছগ্রাম, কচুয়া উপজেলার বয়ারসিংগা-১, বয়ারসিংগা-২, টেংরাখালী-১ ও টেংরাখালী-২ গুচ্ছগ্রাম। যশোর জেলার সদর উপজেলার শ্রীকান্তনগর ও রামকৃষ্ণপুর গুচ্ছগ্রাম এবং বাঘারপাড়া উপজেলার ভৈরব। খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কাটাবুনিয়া, কাওয়ালী ও পতন বেতবুনিয়া গুচ্ছগ্রাম, ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস-১ ও সাহস-২ গুচ্ছগ্রাম, বাটিয়াঘাটা উপজেলার দ্বীপ বরণপাড়া ও মঠবাড়ী গুচ্ছগ্রাম। মাগুরা জেলার সদর উপজেলার কসুন্দি-১ ও কসুন্দি-২ গুচ্ছগ্রাম এবং শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ও বরিষাট গুচ্ছগ্রাম। নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আস্তাইল-১ ও আস্তাইল-২, হন্দ্রা-রায়গ্রাম-কলাগাছি, মাইগ্রাম, পাংখার চর, শিয়রবর ও মঙ্গলহাটা গুচ্ছগ্রাম। সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনী উপজেলার ছায়াশীতল গুচ্ছগ্রাম, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ও ভবানীপুর গুচ্ছগ্রাম। বিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার টিপ পাকশী এবং শৈলকুপা উপজেলার পূর্ব মাদলা গুচ্ছগ্রাম। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডালিয়া এবং দামুরহুদা উপজেলার বাগাডাঙ্গা গুচ্ছগ্রাম। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রামনগর গুচ্ছগ্রাম।

বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার খেজুরবাড়ী গুচ্ছগ্রাম, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চর ডাইয়া ও উত্তর চর ডাইয়া গুচ্ছগ্রাম। বরগুনার আমতলী উপজেলার নীলগঞ্জ ও শাখারিয়া গুচ্ছগ্রাম, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বাবুগঞ্জ, উত্তর চর কলমী, চর মায়া, শাহবাজপুর-আমিনপুর ও মোহাম্মদপুর গুচ্ছগ্রাম, লালমোহন উপজেলার ফাতেমাবাদ ও ইস্ট অন্নপ্রসাদ গুচ্ছগ্রাম, তজুমদ্দিন উপজেলার চর লামগাছি কেরালমারা এবং মনপুরা উপজেলার মিয়া জমিরশাহ গুচ্ছগ্রাম। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী ও চর বোরহান গুচ্ছগ্রাম, গলাচিপা উপজেলার মৌডুবী, সাউথ চর বিশ্বাস, ইছাদী ও ইস্ট চর কপালভেড়া গুচ্ছগ্রাম, রাঙ্গাবালী উপজেলার আমলীবাড়িয়া, চরলক্ষ্মী, কাতিকপুর, আতিকপুর-২, চর বেস্টিন, আমলীবাড়ীয়া-৩, চরলক্ষ্মী-২ ও পূর্ব হরিদ্রাখালী গুচ্ছগ্রাম, কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া, পাঁচজুনিয়া ও পাঁচজুনিয়া-২ গুচ্ছগ্রাম, দুমকী উপজেলার লেবুখালী, সদর উপজেলার পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া, মীর্জাগঞ্জ উপজেলার রামপুর গুচ্ছগ্রাম এবং পিরোজপুরের ভা-ারিয়া উপজেলার জুুনিয়া হরিণপালা গুচ্ছগ্রাম।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার এনাতাবাদ ও চুনাররুঘাট উপজেলার বনগাঁও গুচ্ছগ্রাম। মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পূর্ব দাশটিলা এবং কমলগঞ্জ উপজেলার আলোছায়া, শ্যামছায়া ও শ্যামলছায়া গুচ্ছগ্রাম। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পুরান লক্ষণশ্রী, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শ্রীধরপুর এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাসাদেক গুচ্ছগ্রাম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ও ফান্দাউক-২ গুচ্ছগ্রাম। চাঁদুপরের হাইমচর উপজেলার চরহাইম ও চর কোড়ালিয়া গুচ্ছগ্রাম, মতলব উত্তরের চর উমেদ ও বাহেরচর গুচ্ছগ্রাম। চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার দক্ষিণ আলিনগর ও চর কালিদাস গুচ্ছগ্রাম। কুমিল্লার লাকসাম জেলার সালেহপুর, নরপটি ও কাগৈয়া গুচ্ছগ্রাম। নোয়াখালী জেলার সুবর্নচর উপজেলার চর আলাউদ্দিন গুচ্ছগ্রাম এবং কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মুকবেকী গুচ্ছগ্রাম।