২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পল্লী বিদ্যুতের ৭০ হাজার ট্রান্সফরমার বদলে দেয়া হবে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সারাদেশের পল্লী বিদ্যুত এলাকায় ওভারলোডেড ৭০ হাজার ট্রান্সফরমার বদলে দেয়া হচ্ছে। বিতরণ লাইনের সীমাবদ্ধতা এবং ওভারলোডেড ট্রান্সফরমারের জন্য গ্রামে ফোর্স লোডশেডিং করতে হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের পাশাপাশি গ্রাহকের ঘরে ঘরে বিদ্যুত সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে গ্রাহককে স্বাভাবিক বিদ্যুত সরবরাহ দেয়া সম্ভব হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোন কোন গ্রামে দিনের অধিকাংশ সময় বিদ্যুত থাকে না। এসব এলাকার গ্রাহকরা স্থানীয় বিদ্যুত অফিসে খোঁজ নিতে গেলে তাদের বিতরণ সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়ে থাকে। কোন এক সময়ে বিদ্যুত উৎপাদন কম হওয়ায় লোডশেডিং করতে হয়েছে এখন লোডশেডিংয়ের প্রধান কারণ বিতরণ সীমাবদ্ধতা। পর্যাপ্ত বিদ্যুত থাকলেও বিতরণে দক্ষ হতে পারেনি সংস্থাগুলো।

একইসঙ্গে ৭০ হাজার ট্রান্সফরমার বদল করতে ৮১২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। সরকার প্রকল্পটিতে ৭৬৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দেবে আর পল্লী বিদ্যুত বোর্ড দেবে ৪৭ কোটি ৬৯ হাজার টাকা। যদিও প্রকল্পটি বর্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী ২০১৫-১৬ তে বরাদ্দহীনভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটিতে এক ফেজ এবং তিন ফেজের ট্রান্সফরমার ক্রয় করা হবে। বলা হচ্ছে ১০ থেকে ৭৫ কেভিএ ক্ষমতার ৬৩ হাজার এক ফেজের ট্রান্সফরমার ক্রয় করা হবে। আর তিন ফেজের মোট সাত হাজার ট্রান্সফরমার ক্রয় করা হবে। যার ক্ষমতা হবে ১০০ কেভিএ।

রবিবার বিদ্যুত বিভাগ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ৭০ হাজার প্রকল্প নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সকল বিতরণ কোম্পানিকে একই ধরনের দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ট্রান্সফরমার ক্রয় করার নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে আগামী তিন বছর কি পরিমাণ ট্রান্সফরমার লাগবে তার একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ট্রান্সফরমারের সংরক্ষণ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। আরইবির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সারাদেশে তদের এক লাখের বেশি ট্রান্সফরমার এখন ওভারলোডে চলছে।

যে কারণে গ্রাহকের মানসম্পন্ন বিদ্যুত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিদিনই গ্রাহকের বিদ্যুত চাহিদা বাড়ছে। ফলে নতুন করে ট্রান্সফরমার ওভারলোডেড হয়ে পড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৭০ হাজার ওভারলোডেড ট্রান্সফরমার বদলের প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে।

চিংড়িতে ভেজাল, চার ব্যবসায়ীর কারাদ-

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর, ১২ অক্টোবর ॥ কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার চিংড়ি ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেছে। চিংড়িতে মাছে ইনজেকশনের মাধ্যমে সাগু ও এরারুট ঢুকিয়ে ওজন বাড়ানোর অপরাধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ রায়হান কবির রবিবার সন্ধ্যার পর এক ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের উক্ত সাজা প্রদান করেন। উপজেলার কেদারপুর গ্রামের ফরহাদ আলীর বাড়িতে রবিবার সন্ধ্যায় ১০/১১ কেজি গলদা চিংড়ি মাছে ভেজাল মেশানোর সময় পুলিশ ওই ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির করে।

এনএইচ মডার্ন হাইস্কুল গাইবান্ধায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ॥ পাঠদান ব্যাহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা, ১২ অক্টোবর ॥ গত ২৫ এপ্রিলে ভূমিকম্পে গাইবান্ধা শহরের এন এইচ মডার্ন হাইস্কুলের পুরাতন ভবনের কয়েকটি শ্রেণীকক্ষের ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফাটল ধরে ছাদ ধসের আশঙ্কা থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন শ্রেণীকক্ষগুলোতে না বসিয়ে অন্য কক্ষে গাদাগাদি করে বসিয়ে ক্লাস নিচ্ছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। অথচ কর্তৃপক্ষের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো সংস্কার বা নতুন নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেই।