২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গলাচিপায় চিকিৎসক হত্যা মামলায় গ্রেফতার চার

স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা ॥ পটুয়াখালীর গলাচিপায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার (মেডিসিন) ডা. মাকলুকুর রহমান হত্যা মামলার চার আসামিকে সিআইডি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ঢাকার তিনটি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, রবিবার রাত দশটার দিকে সিআইডি পুলিশের পৃথক তিনটি দল ঢাকার সাভার থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদির, গাড়ির ড্রাইভার মোনেজা আকতার, মোহাম্মপুরের বাসা থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক মেজবাহ ও মিরপুরের বাসা থেকে গোলাম মোস্তফা নান্টুকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে গোলাম মোস্তফা নান্টু গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গলাচিপা কার্যালয়ের বাড়ির মালিক। তিনি মিল্কভিটার পরিচালক হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। মামলার আসামিরা হলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদির, ডা. মোঃ মেজবাহ, গৌরগোপাল সাহা, কামাল উদ্দিন আহম্মদ, মিলা আকতার, মৌসুমী বিনতে মানিক, গাড়িচালক মোনেজা আকতার, গোলাম মোস্তফা ও বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক শিপন পেয়াদা।

বিনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর মৃত্যু, ভাংচুর

ডাক্তার বরখাস্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১২ অক্টোবর ॥ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী মৃত্যুর অভিযোগে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী হাসপাতালে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে। অন্যদিকে, দায়িত্বে অবহেলার কারণে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল শাফীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইউএনওর নেতৃত্বে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, রবিবার দিবাগত রাতে করিমগঞ্জ পৌরসভাধীন ঘোনাপাড়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে ডিশলাইন শ্রমিক আজিজুল ইসলাম (৩০) গুরুতর অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে ভর্তি হয়। ওই সময় জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল শাফী রোগীর চিকিৎসা না করে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। রোগীর স্বজনরা ওই চিকিৎসককে বারবার তাগাদা দিলেও তিনি তা গুরুত্ব না দিয়ে কথা বলতে থাকেন। এর কিছু সময় পর আজিজুল মারা যায়। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী রাতে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ও স্বাস্থ্য প্রশাসকের রুমে ব্যাপক হামলা ও ভাংচুর চালায়। খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ হাবিবুর রহমান, ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ও থানার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র মজুমদার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

করিমগঞ্জের ইউএনও আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসককে ইতোমধ্যে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বজনরা নিহতের লাশ দাফন করার ব্যবস্থা নিচ্ছে। তদন্ত কমিটির কাজ শেষে শীঘ্রই প্রতিবেদন রিপোর্ট দেয়া হবে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে তিনি জানান।

এই মাত্রা পাওয়া