১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বন্ধ্যত্ব

বন্ধ্যত্ব বলতে সাধারণত বোঝায় যদি কোন রকম প্রতিরোধক ব্যবস্থা ছাড়াই স্বামী ও স্ত্রীর নিয়মিত ১ বছর সহবাসের পরেও (অনেকের মতে ১.৫ থেকে ২ বছর) সন্তান ধারণে সক্ষম না হয়। ৮৪ শতাংশ দম্পতি বিয়ের প্রথম ১ বছরেই সন্তান ধারণে সক্ষম হয়।

আর ৯২ শতাংশ দম্পতি বিয়ের প্রথম ২ বছরেই সন্তান ধারণে সক্ষম হয়।

কারণ

(১) হরমোনজনিত সমস্যা, যেমন- খচউ-(Luteal Phase Defect), Luteirine unruptured follicular syndrome (Trapped ovum) ইত্যাদি। (২) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (চঈঙঝ - চড়ষুপুংঃরপ ঙাধৎরধহ ঝুহফৎড়সব). (৩) এন্ডোমেট্রিওসিস। (৪) অতরিক্ত ওজন কম বা অতরিক্ত ওজন বেশি (ঊীপবংংরাব ঁহফবৎবিরমযঃ ড়ৎ ঊীপবংংরাব ড়াবৎবিরমযঃ). (৫) অতিরিক্ত শারীরিক ব্যায়াম (ঊীপবংংরাব ঊীবৎপরংব). (৬) দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অসুস্থতা, যেমন- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস (টহপড়হঃৎড়ষষবফ উরধনবঃবং), কান্সার (ঈধহপবৎ), কিডনি ফেইলিউর (করফহবু ঋধরষঁৎব) ইত্যাদি। (৭) বিভিন্ন রকম ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যেমন- কেমোথেরাপি (ঈযবসড়ঃযবৎধঢ়ু), ঈধহহধনরং, ঈড়পধরহব ইত্যাদি। (৮) জিনগত সমস্যা। (৯) দ্রুত মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া (ঊধৎষু গবহড়ঢ়ধঁংব). (১০) জরায়ু ও ডিম্বনালীতে ইনফেকশন (চওউ – চবষারপ ওহভষধসসধঃড়ৎু উরংবধংব). (১১) জরায়ু, ডিম্বনালী ও সারভিক্স এ পূর্ববর্তী অপারেশনজনিত কারণ। (১২) বয়সজনিত সমস্যা, (সাধারণত বয়স ৩৫ বছরের উপর হলে গর্ভধারণে নানাবিধ সমস্যা হয়)। (১৩) অতিরিক্ত মানসিক চাপ, কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা। (১৪) স্বামী বা পুরুষের জন্য ও বন্ধ্যত্ব ঘটে থাকে যাকে আমরা পুরুষজনিত বন্ধ্যত্ব বা গধষব ওহভবৎঃরষরঃু বলে থাকি। এই পুরুষজনিত বন্ধ্যত্ব বা গধষব ওহভবৎঃরষরঃু ২-১০ শতাংশ ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। যার নানা কারণ রয়েছে যেমন- Hypothalamic pituitary disorders (1-2)%, Primary gonadal disorders (30-40)%, Disorders of sperm transport (10-20)%, Erectile dysfunction, Ejaculatory defect, Hypospadias, Idiopathic বা অজানা কারণ (৪০-৫০)%. (১৫) বন্ধ্যত্বের কিছু অজানা কারণও (ঁহশহড়সি পধঁংব) রয়েছে যা ৩-১০ শতাংশ ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।

চিকিৎসা

বন্ধ্যত্বের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা গেলে অধিকাংশ দম্পতির ক্ষেত্রে তা নিরাময় করা সম্ভব মেডিসিনের মাধ্যমেই, যেমন-ওভারিয়ান ফেইলিউর (ঙাধৎরধহ ঋধরষঁৎব), হরমোনজনিত সমস্যা (ঐড়ৎসড়হধষ চৎড়নষবসং)।

যদি কোন সমস্যা নির্ধারণ করা সম্ভব না হয় তাহলে এসিস্টেড কন্সেপসন (ওহ ঠরঃৎড় ঋবৎঃরষরঃু-ওঠঋ) করা সম্ভব। আশার কথা হলো, এই এসিস্টেড কন্সেপসন টেকনিকের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর্টিফিসিয়াল রিপ্রডাক্টিভ টেকনোলজি (অংংরংঃবফ জবঢ়ৎড়ফঁপঃরাব ঞবপযহড়ষড়মু) এর মাধ্যমে ও এখন বন্ধ্যত্ব নিরাময় করা সম্ভব।

উপদেশ

(১) নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা। (২) নিয়মিত ফলিক এসিড (ঋড়ষরপ অপরফ) সেবন। (৩) স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ। (৪) ধূমপান ও এ্যালকোহল না খাওয়া। (৫) শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। (৬) মানসিক চাপ, কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা। (৭) সহবাসজনিত সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা। (৮) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোন ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা।

আপনার ডাক্তার ডেস্ক