১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টেকনাফে টিএ্যান্ডটির জমি দখল করে স্থাপনা

এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার ॥ টেকনাফে হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় টিএ্যান্ডটির জমি জবর দখল করে রাতারাতি অবৈধ স্থাপনা গড়েছে প্রভাবশালী বেলাল উদ্দিন। এ ব্যাপারে বিটিসিএল দখলবাজদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করলেও পুলিশ শুধু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দায়িত্ব সেরেছে। এ পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানা গেছে। বিটিসিএলের উখিয়া উপ-সহকারী প্রকৌশলী তদন্তকারী সহকারী দারোগার অবহেলার অভিযোগ এনেছেন। এতে অবৈধ দখলকারীরা স্থাপনার কাজ দ্রুত চালিয়ে যাচ্ছে। ওসি জানান, ওই দারোগার অবহেলার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারের অবকাঠামো উন্নয়নে ঈর্ষান্বিত হয়ে জামায়াত-বিএনপির একটি মহল টিএ্যান্ডটির জমি দখল ও ঘর নির্মাণে গোপনে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় ১৯৭৬ সালে বিটিসিএলের ক্রয়কৃত এক একর ৫০ শতক জমির ওপর ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই ভবনে টিএ্যান্ডটির কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। মাঝে টিএ্যান্ডটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কেয়ারটেকার ভবন ও পার্শ¦বর্তী জমি দেখভাল করা হয়। বিটিসিএলের দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে জবরদখলের প্রক্রিয়া হিসেবে খুঁটি স্থাপনের সংবাদে স্থানীয় বাদশা মিয়ার ছেলে বেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগটি পেয়ে এএসআই আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও রহস্যজনকভাবে রাতারাতি বিটিসিএলের জমির ওপর অবৈধভাবে ঘর তোলে দখলবাজরা। বিটিসিএল উখিয়া অফিসের দাবি, ওই দারোগার অবহেলা ও তাকে ম্যানেজের কারণে ঘরটি তোলা হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেও কোন সহযোগিতা না পেয়ে অবশেষে উপসহকারী প্রকৌশলী টেকনাফ থানায় এজাহার দায়ের করেন। স্থানীয় শহীদ উল্লাহর সহায়তায় বেলাল অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার সাহস পেয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে শহীদ উল্লাহ বলেন, এটি আমার জমি। টিএ্যান্ডটির জমিতে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়নি। এএসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, হোয়াইক্যং ফাঁড়ি পুলিশের এসআই সাক্ষী দেয়ার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করায় আমি মাত্র দুই দিনের দায়িত্বে ছিলাম।

কক্সবাজারে ভুয়া মেজর গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ গোয়েন্দা সংস্থার মেজর পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম মোর্শেদ আলম। সে কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নের কোণাখালীর ফজল আলমের ছেলে। সোমবার রাতে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয় সংলগ্ন দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, ধৃত ভুয়া মেজর দীর্ঘদিন যাবত কক্সবাজার সদর রামু, টেকনাফ, উখিয়া, চকরিয়ায় নিজেকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই কর্মকর্তা এবং পরে ডিজিএফআই মেজর পরিচয় দিয়ে একের পর চাঁদা দাবি করে গোপনে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। এমনকি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সামনের মেডিসিনের দোকান থেকেও নিয়মিত চাঁদা নিত। তার দেহ তল্লাশি করে ২টি সিম, একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংশিষ্ট সূত্র জানায়।