২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরাজগঞ্জে স্বীকৃতি পেলেন ১৩ বীরাঙ্গনা

বাবু ইসলাম, সিরাজগঞ্জ ॥ দীর্ঘ ৪৪ বছর পর সিরাজগঞ্জের ১৩ বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন। মুক্তিযুদ্ধের তালিকায় তাদের নাম গেজেটভুক্ত হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্তে ১৩ বীরাঙ্গনা পরিবারের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। দীর্ঘদিন পর স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েছে বীর মাতারা। কিন্তু গেজেট থেকে বাদ পড়েছেন পাঁচ বীরাঙ্গনা পরিবার। তাদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। তারা ভেঙে পড়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন রাহেল খাতুন, নূরজাহান, করিমন, আয়েশা ও হাজেরা খাতুন। স্বীকৃতি দিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের ত্যাগের কথা বিবেচনা করে দেশের ৪১ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের ১৩ বীরাঙ্গনা রয়েছেন। চলতি বছরের জুলাই থেকে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সিরাজগঞ্জে স্বীকৃতি পেয়েছেন যেসব বীরাঙ্গনা, তারা হলেন সূর্য বেগম, কমলা বেওয়া, রহিমা বেওয়া, ছামেনা খাতুন, সুরাইয়া খাতুন, রাহেলা বেগম, শামসুন্নাহার বেওয়া, মাহেলা বেগম, হামিদা বেওয়া, হাসনা বেগম, আছিয়া বেগম, জয়গুন, রাজুবালা দে।

ফাঁদে পড়া ৩০ বক মুক্ত করলেন কয়েক তরুণ

সমুদ্র হক ॥ প্রজন্মের তরুণরা বিলের ধারে শিকারিদের ফাঁদে পড়া ৩০টি বক মুক্ত করে দিল আকাশে উড়িয়ে। এই ঘটনা বগুড়ার শেরপুরের এক বিলের। ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে...’ কিংবদন্তির আব্বাস উদ্দিনের কণ্ঠের এই ভাওয়াইয়া আজও মানুষের মনে দাগ কাটে। সেই পঞ্চাশের দশকে পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে এই গান গেয়েছিলেন তিনি। পাখি শিকার বন্ধে দেশে আইন আছে। পাখি শিকার আইনত দ-নীয় অপরাধ। তারপরও বন্ধ হয়নি। নদী বিলে খালে বক পাখি আজও ফাঁদে পড়ে। এক শ্রেণীর বাণিজ্যিক পাখি শিকারি পাখি বধে নানা ধরনের ফাঁদ বানায়। জাল ফেলে। বক ধরতে ফাঁদ বানিয়ে রাখে বিল পাড়ে। এমনই কিছু বক শিকারি বগুড়ার শেরপুরের টগটগিয়া বিলে বক ধরতে ফাঁদ পেতেছিল। এলাকার কয়েক তরুণ পরিবেশ কর্মী তা টের পেয়ে শিকারিদের ধরতে ওঁৎ পেতে থাকে। সোমবার বিকেলে তারা ফাঁদে পড়া ৩০টি বকসহ শিকারিদের আটক করে। তারপর গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বকগুলোকে ফাঁদ থেকে বের করে আকাশে উড়িয়ে দেয়। আটক শিকারিরা হলো সিরাজগঞ্জের তারাশ উপজেলার বিনসাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমান ও রাশেদুল ইসলাম।