২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চিটাগাং সিমেন্ট মামলার শুনানী ২১ অক্টোবর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চিটাগাং সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বর্তমানে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট) শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় আসামি ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আইনজীবীদের মধ্য যুক্তিতর্ক উপস্থাপন বা শুনানী শুরু হবে আগামী ২১ অক্টোবর। বুধবার মামলায় সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ তারিখ ধার্য করেছেন পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষের আইনজীবী মাসুদ রানা খান জানান, মামলায় দুইজনের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরুর জন্য আগামী ২১ অক্টোবর দিন রেখেছেন আদালতের বিচারপতি হুমায়ন কবির। মামলার সাক্ষী ও আসামিদের উপস্থিতিতে আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।

মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন ডিএসইর সাবেক পরিচালক মো. রকিবুর রহমান। একইসঙ্গে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েছেন তিনি। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১১ অক্টোবর পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসামিদের আইনি পরীক্ষা গ্রহণ শেষ করে। সেদিন আসামি মো. রকিবুর রহমান আদালতে বক্তব্য দেন।

রকিবুরের বক্তব্য শেষে মামলার সাফাই সাক্ষী গ্রহণের জন্য বুধবার পরবর্তী দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। এদিন শুধু মামলার আরেক আসামি এ.এস. শহুদুল হক বুলবুলের পক্ষে সাফাই সাক্ষী গ্রহণ করা হয়েছে। সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ উল্লাহ ও প্রাক্তন ডিডি সরকার আলী আক্তার। মামলার অন্য ২ আসামি মো. রকিবুর রহমান ও আবু তৈয়ব আদালতে লিখিত বক্তব্য প্রদান করায় তারা আর সাফাই সাক্ষী দিবেন না।

এর আগে ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে বিএসইসির পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশিদ খান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চিটাগাং সিমেন্টের ১০০ টাকার ফেস ভ্যালুর মোট ১২ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার ছিল। প্রতিটি শেয়ারের বুক ভ্যালু ছিল ১৩৪ টাকা। আসামি দুজন ওই সময়ে অবৈধ ও প্রতারণামূলকভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছেন।

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ৩০ জুন কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বাজার মূল্য ছিল ২ হাজার ৫৮৫ টাকা। কারসাজির মাধ্যমে ওই শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হয়। এর ফলে প্রতিটি শেয়ারের দর ওই বছরের ৩১ জুলাই ৩ হাজার ৫২ টাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ৩ হাজার ৭৪৭ টাকা, ৩১ অক্টোবর ৮ হাজার ৮৮২ টাকা এবং ১৬ নবেম্বর ১৫ হাজার ৬৯৪ টাকা পর্যন্ত ওঠে।