১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাবনায় চার হাজার বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা

  • নিষ্কাশন পথ ভরাট

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ১৪ অক্টোবর ॥ বেড়া উপজেলার শতাব্দীপ্রাচীন রাকশা বাজার নালার দুই জায়গায় মাটি ফেলে ভরাট করায় পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় চার হাজার বিঘা ফসলি জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে আসন্ন রবি ফসল ও বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তিনটি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা জলাবদ্ধতা নিরসনে আবারও প্রধানমন্ত্রীর দফতরসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে লিখিত আবেদন করেছেন।

জানা গেছে, বেড়া উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা, পুরান ভারেঙ্গা ও জাতসাখিনী ইউনিয়নের বন্যার পানি রাকশা বাজার নালা দিয়ে যমুনা নদীতে নিষ্কাশিত হয়ে আসছে। আবার বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি এই নালা দিয়ে বিস্তীর্ণ জনপদ ও ফসলের মাঠে প্রবেশ করে। বন্যার পানিতে যেমন রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের বিষক্রিয়া নষ্ট হয়, তেমনি পলি মাটি পড়ে জমির উর্বরতা বাড়ায়। এলাকার শত শত চাষী জমিতে রবি ফসল ও বোরো ধান আবাদ করে সারা বছরের সংসার খরচ যোগান দেন।

জানা যায়, সম্প্রতি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি মুসাসহ অপর এক ব্যক্তি সাফুল্য মৌজার রাকশা বাজার সংলগ্ন ব্রিজের পূর্ব পাশে ১৫০ মিটারের মধ্যে ওই নালার দুই জায়গায় মাটি ভরাট করে। এতে পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে জলাবদ্ধতায় এলাকার খাল, বিল, জলাশয়, নালা ও কৃষি জমি কচুরিপানাতে ভরে গেছে। ক্ষুদ্র শিল্পকারখানার বর্জ্য বের হতে না পারায় বদ্ধপানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

ফলে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠছে। মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, বেড়া পানি উন্নয়ন বিভাগের প্রকৌশলীরা সরেজমিন ঘুরে দেখেছেন। বিকল্প পথে কিভাবে দ্রুত সময়ে পানি নিষ্কাশন করা যায়, এ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।