২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আরও সংবাদ

  • আবুধাবি টেস্টে পাকিদের দাপট

.স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ শোয়েব মালিক ও আসাদ শফিকের জোড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে আবুধাবি টেস্টের প্রথম ইনিংসে দাপট দেখাল পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিনে ৮ উইকেটে ৫২৩ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করল মিসবাহ-উল হকের দল। ইংলিশ বোলারদের নাকের জল-চোখের জলে একাকার করে ছাড়লেন দুই পাকি উইলোবাজ। জবাবে দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫৬ রান। ৩৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন এ্যালিস্টার কুক। ব্যক্তিগত ১৫ রানে অধিনায়কের সঙ্গে আছেন মঈন আলি। মরুর দেশে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলছে দু-দল।

ইংলিশ বোলারদের নিয়ে খেললেন পাকি ব্যাটসম্যানরা- বাক্যটা বোধ হয় পুরোপুর ঠিক নয়! কারণ আউট হওয়া ৮ ব্যাটসম্যানের মধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি মালিকের, সেঞ্চুরি শফিকের, হাফসেঞ্চুরি মোহাম্মদ হাফিজের, চতুর্থ সর্বোচ্চ ৩৮ ইউনুস খানের। বাকি চার ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুঁতে ব্যর্থ। অর্থাৎ যা খেলার খেললেন মালিক আর শফিকই। আরও ছোট করে বললে, মরুর বুকে রানের ফুলঝুরি ছোটালেন মালিক! সেই মালিক, যিনি পাঁচ বছর পর টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন, প্রথম দিনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন ছয় বছর পর। সেই তিনিই দ্বিতীয় দিনে তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। থামার আগে খেললেন ক্যারিয়ারসেরা ২৪৫ রানের ইনিংস!

৪ উইকেটে ২৮৬ রান নিয়ে বুধবার দ্বিতীয় দিন শুরু করে পাকিস্তান। এদিন ৪ উইকেট হারিয়ে আরও ২৩৭ রান যোগ করে মিসবাহ-বাহিনী। বড় অবদান ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মালিকের। প্রথম দিন হাফিজকে নিয়ে ১৬৮ এবং ইউনুসকে নিয়ে ৭৪ রান যোগ করার পর কাল শফিককে নিয়ে দলকে রানের পাহাড়ে চড়তে সাহায্য করেন তিনি। পঞ্চম উইকেটে ৭০ ওভারে ২৪৮ রান যোগ করেন মালিক ও শফিক। যেখানে শফিকের অবদান ১০৭। ২১৮ বলে ১০ চারের সাহায্যে এ রান করে মার্ক উডের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন শফিক। ৩৯তম টেস্টে সিন্ধু প্রদেশের প্রতিভাবান এই ব্যাটসম্যানের এটি অষ্টম সেঞ্চুরি। শফিক ফেরার পর অবশ্য আর বড় জুটি হয়নি। দ্রুতই সাজঘরে ফেরন সরফরাজ আহমেদ (২) ও জুলফিকার বাবর (০)। দুটি উইকেটই তুলে নেন বেন স্টোকস। মালিকের ডাবলের কথা আলাদা করে না বললেই নয়। আগের দিনই সেঞ্চুরি পূর্ণ করা অলরাউন্ডার এদিন তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। বেন স্টোকসের বলে ইয়ান বেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪২০ বলে ২৪ চার ও ৪ ছক্কায় ২৪৫ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস উপহার দেন। ১৯০ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর আগে তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ছিল অপরাজিত ১৪৮Ñ ২০০৬ সালে কলম্বো টেস্টে। দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর গত মে মাসে ঘরের মাটিতে জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে সিরিজে ওয়ানডে দলে ফেরেন। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পাঁচ বছর পর সুযোগ হয় টেস্টে। কাকতাল, সাদা পোশাকে সর্বশেষ ২০১০ সালের আগস্টে খেলেছিলেন এই ইংল্যান্ডেরই বিপক্ষে!

স্কোর কার্ড ॥ পাকিস্তান প্রথম ইনিংস ৫২৩/৮ ডিক্লে. (১৫১.১ ওভার; মালিক ২৪৫, শফিক ১০৭, হাফিজ ৯৮, ইউনুস ৩৮, মিসবাহ ৩, মাসুদ ২, সরফরাজ ২, ওহাব ২*, বাবর ০; স্টোকস ৪/৫৭, এ্যান্ডারসন ২/৪২, ব্রড ১/৪৪, উড ১/৫৮, রশিদ ০/১৬৩)।

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৫৬/০ (২১ ওভার; কুক ৩৯, মঈন ১৫*; রিয়াজ ০/১০, রাহাত ০/১২, বাবর ০/১৬, ইমারন ০/১৬)।

** দ্বিতীয় দিন শেষে

দারুণ শুরু লঙ্কানদের

করুনারতেœর

সেঞ্চুরিতে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ওপেনার দিমুথ করুনারতেœর সেঞ্চুরিতে গল টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরুটা মন্দ হয়নি লঙ্কানদের। প্রথম দিন শেষে ২ উইকেটে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ২৫০ রান। ১৩৫ রান নিয়ে ব্যাট করছেন করুনারতেœ, ৭২ রানে তার সঙ্গী দীনেশ চান্দিমাল। এক পর্যায়ে ৪০ ওভারেই ১০০ রান তুলে নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দুই উইকেট হারানোর পর স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তন আনে এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের দল। ধরে খেলার নীতিতে সেøা ব্যাটিং করে তারা। উইকেট হাতে রেখে ধীরে চলো নীতিতে প্রথম দিনে অনেকটাই সফল লঙ্কানরা।

টানা বৃষ্টির পর কাল হাসে গলের আকাশ। সকাল থেকেই ছিল খেলা উপযোগী চমৎকার পরিবেশ। টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেন লঙ্কাপতি ম্যাথুস। ১৮ ওভারে দলের ভা-ারে ৫৬ রান যোগ করে ভাল কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দুই ওপেনার করুনারতেœ ও কুশল সিলভা। উইকেটের ময়েশ্চার কাজে লাগিয়ে বোলিংও খারাপ করছিলেন না অতিথি পেসাররা। ব্যক্তিগত ১৭ রানে কেমার রোচের গুডলেন্থ ডেলিভারি ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে দীনেশ রামদিনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন কুশল। এরপরই অবশ্য সেøা হয়ে যায় লঙ্কার ব্যাটিং। ৬২ বল মোকাবেলায় ১টি মাত্র চার মারেন লাহিরু থিরিমান্নে। ১৬ রানে স্পিনার দেবেন্দ্র বিশুর বলে চন্দ্রিকার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।

এরপরই গড়ে ওঠে স্বাগতিকদের দিনের সেরা জুটি। তৃতীয় উইকেটে ৪৯ ওভারে অবিচ্ছিন্ন ১৪৯ রানের জুটি গড়েন করুনারতেœ ও চান্দিমাল। ২৮৮ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ১৩৫ রান নিয়ে অপরাজিত করুনারতেœ। ২২তম টেস্টে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কোন শ্রীলঙ্কান ওপেনারের এটাই সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। আগে যা ছিল মিলিন্দা ওয়ার্নাপুরার ১২০, ২০০৮ সালে। গল স্টেডিয়ামে এটিই ২৭ বছর বয়সী করুনারতেœর সর্বোচ্চ রান। চান্দিমাল ছিলেন নিজেরই মতো। কিছুটা ধীরে খেললেও খুব বেশি সøথ নয়। ১৪৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৭২ রান নিয়ে অপরাজিত ক্রেজি চন্দিমাল। তার কাছ থেকে আরও বড় ইনিংস চাইবে লঙ্কানরা। কারণ গত ভারত সিরিজে এই গলেই যে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা খেলেছিলেন চান্দিমাল (১৬২*) সফরকারী ক্যারিবীয়দের হয়ে ১টি করে উইকেট রোচ ও বিশুর।

দুই ম্যাচ সিরিজের এই সিরিজটা দু’দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তারণ্যনির্ভর দল নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে অবসরে গেছেন দুই কিংবদন্তি লঙ্কান ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারা। নিজেদের শেষ দশ টেস্টের নয়টিতে জয়হীন এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের দল! ঘরের মাটিতে টানা দুই সিরিজে হার পাকিস্তান ও ভারতের কাছে। অন্যদিকে নিজেদের মাঠে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করা ক্যারিবীয়রা সিরিজ হারে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। টেস্ট নিয়ে আগ্রহ নেই ক্রিস গেইল আর ড্যারেন সামির মতো বড় তারকার। সাদা পোশাকের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হলো জেসন হোল্ডারের। দু’দলেই প্রধান কোচ সরে যাওয়ায় অন্তর্বর্তী কোচ নিয়ে খেলছে। সব মিলিয়ে সিরিজটা দু’দলের জন্যই নতুন শুরু। যেখানে প্রথম টেস্টের শুরুটা মন্দ হয়নি লঙ্কানদের।

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস ২৫০/২ (৯০ ওভার; করুনারতেœ ১৩৫*, চান্দিমাল ৭২*, কুশল ১৭, থিরিমান্নে ১৬; রোচ ১/৩৩, বিশু ১/৭৮, হোল্ডার ০/২০, গ্যাব্রিয়েল ০/৩৬)

** প্রথম দিন শেষে

বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল

শ্রীনগর ও টঙ্গীবাড়ি

চ্যাম্পিয়ন

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে জেলার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শ্রীনগর উপজেলার নওপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দল। বুধবার মুন্সীগঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা ট্রাইব্রেকারে ৪-২ গোলে সিরাজদিখান উপজেলার খাসমহল বালুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দলকে হারায়। নির্ধারিত সময় খেলাটি গোল শূন্য ড্র ছিল। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা গোল্ডকাপ ফুটবলে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘিরপাড় ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা একমাত্র গোলে সিরাজদিখান উপজেলার রসুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে জয়ের এই আনন্দে ভাসে। জেলার ৫২৭ বালক এবং ৫২৭ বালিকা দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এ্যাডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস এমপি, জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল হাসান বাদল, এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি) হারুনুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জামাল হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

ডাবল সেঞ্চুরিতে মালিকের রাজসিক প্রত্যাবর্তন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মঞ্চ তৈরি ছিল ইউনুস খানের জন্য। ব্যক্তিগত ৩৮ রানে আউট হওয়ার পথে গ্রেট জাভেদ মিয়াদাদকে টপকে ঠিকই পাকিস্তানের সর্বোচ্চ টেস্ট রানের মালিক হয়েছেন তিনি। তবে আবুধাবি টেস্টে ইউনুসের মঞ্চে আলো ছড়ালেন শোয়েব মালিক। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সাদা পোশাকে ফিরে প্রথম দিনেই হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। বুধবার দ্বিতীয় দিনে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরিকে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন, খেললেন ২৪৫ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস। বেন স্টোকসের বলে ইয়ান বেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪২০ বলে ২৪ চার ও ৪ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান মালিক। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান আসাদ সফিক (১০৭)। কাল দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে যোগ করেছেন ২৪৮ রানÑ যার ওপর ভর করে টি ব্রেকের পরপরই স্কোরটাকে পাঁচশ’র ওপরে নিয়ে গেছে মিসবাহ-উল হকের দল। তবে সবকিছু ম্লান করে আবুধাবি টেস্টে আলোচনায় কেবলই মালিক। গত মে মাসে ঘরের মাটিতে জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে প্রত্যাবর্তনে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। রঙিন পোশাকে ব্যাটে-বলে আকাশে উড়ছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। ফলও পেয়েছেন হাতেনাতে। ওয়ানডের নৈপুণ্যে পাঁচ বছর পর ডাক পেয়েছেন টেস্টে। সাদা পোশাকের প্রত্যাবর্তনটাকেও স্মরণীয় করে রাখলেন ৩৩ বছর বয়সী মালিক। শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে খেললেন স্মরণীয় এক ইনিংস। দ্বিতীয় দিনে ১২৪ রান নিয়ে নামা মালিক স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে তুলে নিয়েছেন জীবনের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। ১৯০ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এর আগে তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল অপরাজিত ১৪৮Ñ ২০০৬ সালে করেছিলেন কলম্বো টেস্টে। ক্যারিয়ারের পুনর্জন্ম বুঝি একেই বলে। মাঠে স্বপ্নের মতো সময় পার করছেন শোয়েব মালিক। দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর গত মে মাসে ঘরের মাটিতে জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে সিরিজে ওয়ানডে দলে ফেরেন। ফেরা মানে দুরন্ত-দুর্বার হয়ে ফেরা। ব্যাট হাতে ১১২ রানের অনন্য সেঞ্চুরির পর বল হাতে ১ উইকেট নিয়ে হন ম্যাচসেরা। এরপর শ্রীলঙ্কা হয়ে জিম্বাবুইয়ে সফরÑ সে ধারা অব্যাহত। জিম্বাবুয়েতে ২-১এ ওয়ানডে সিরিজ জেতে আজহার আলির দল। সেখানেও অলরাউন্ড নৈপুণ্যে সিরিজ সেরার পুরস্কার পকেটে পোরেন মালিক! ফলঃ টিম ম্যানেজমেন্টের অনুরোধে টেস্ট দলে ফেরানো হয় তাকে। ম্যানেজার ইন্তিখাব আলমের বিশেষ অনুরোধেই প্রধান নির্বাচক হারুন রশীদ মালিককে সাদা পোশাকে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ করেন দেন। পরে তিনি ও প্রধান কোচ ওয়াকার ইউনুসের সুপারিশের ভিত্তিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান অন্তর্ভুক্তি অনুমোদন করেন। সাদা পোশাকে সর্বশেষ ২০১০ সালের আগস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মালিক। কাকতালীয়ভাবে সেই ইংলিংশদের বিপক্ষেই প্রত্যাবর্তনটাকে নিজের মতো রঙিয়ে নিলেন।