২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ সড়কের ৪ কিলোমিটার রাস্তা যান চলাচলের অনুপযোগি

পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ সড়কের ৪ কিলোমিটার রাস্তা যান চলাচলের অনুপযোগি

স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড় ॥ ব্যস্ততম পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ সড়কের ৪ কিলোমিটার রাস্তা যান চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির অজুহাতে এক ঠিকাদার একটি গ্রুপের কাজ শেষ না করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাস্তার ওপরের কার্পের্টিংয়ের কাজ না করায় যত্রতত্র ছড়িয়ে-ঁিছটিয়ে আছে ছোট-বড় পাথর। বৃষ্টির কারণে পানি জমে থাকায় রাস্তার বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল করলেও ছোট যানবাহন চলাচল অনেক কমে গেছে। তবে খুব দ্রুত ঠিকাদার এই সড়কের কাজ আবারও শুরু করবে বলে জানিয়েছে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, গত অর্থবছরে পঞ্চগড় এলজিইডি’র অধীনে পঞ্চগড়-দেবীগঞ্জ সড়কের ভাউলাগঞ্জ থেকে দেবীগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করণ ও উন্নয়নের জন্য দরপত্র আহবান করলে কয়েকটি গ্রুপে ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়। এ সকল ঠিকাদারের কাছ থেকে সব কাজ ক্রয় করে নেন পার্শ্ববর্তী নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার এক চেয়ারম্যান। গত জুনে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঠিকাদার জানান, অর্থবছরের শেষে দরপত্র আহবান করায় তড়িঘরি করে কাজ শুরু করতে হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। অন্যান্য গ্রুপের কাজ শেষ হওয়ার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জানতে পারে আগামী ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জুনে কাজের বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। তাই বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ করে ভাউলাগঞ্জ বাজারের কিছু পর থেকে দেবীগঞ্জের ফুলবাড়ী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তার কাজ অর্ধ সমাপ্ত রেখে বন্ধ করে দেয়া হয়।

স্থানীয় ভুক্তভোগিরা জানিয়েছে, এটি অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়ক। ভাউলাগঞ্জ বাজার থেকে কয়েকটি কোচ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। এ ছাড়াও এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে। কাজ শেষ না হওয়ায় ৪ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কের ওপর খানা-খন্দ আর যত্রতত্র পাথর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করছে। যে কোন মূহুর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে। এই সড়ক দিয়ে চলাচলরত অটোরিকসার চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুন বা তারও বেশী ভাড়া আদায় করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

পঞ্চগড় এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সুবাস কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সড়কটিতে যান চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, বৃষ্টির কারণে ঠিকাদার জুনে কাজ শেষ করতে পারেনি। খুব দ্রুতই অর্ধ সমাপ্ত কাজ সমাপ্ত হবে মর্মে তিনি জানান।