২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দ্বীপচরে রয়েছে ১৮ ফেনসিডিল কারখানা

  • হায়রে সীমান্তের মানুষ শেষ

জাহাঙ্গীর আলম শাহীন, লালমনিরহাট ॥ সীমান্তের নিরীহ মানুষ জঙ্গীবাদ ও মৌলবাদ চক্রের ফাঁদে জড়িয়ে পড়েছে। ছোট দ্বীপ চরগুলোতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরক তৈরির কারখানা। রয়েছে ১৮ ফেন্সিডিল তৈরির কারখানা। ফেন্সিডিল তৈরির উপাদান বাংলাদেশ হতে সংগ্রহ হয়।

লালমনিরহাটে সীমান্ত রয়েছে ৩৬০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ২৮৫ কিলোমিটারে রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। ৭৫ কিলোমিটারে কোন কাঁটাতারের বেড়া নেই। সীমান্তে ধরলা, বুড়িতিস্তা, গিদারীয়া ও মালদা নদী ঘিরে রয়েছে বলে ভারত সরকার ৭৫ কিলোমিটারে কোন কাঁটাতারের বেড়া দিতে পারেনি।

এখানকার সীমান্ত গ্রামগুলোতে বেশ কয়েকটি চর ও দ্বীপ চর রয়েছে। চরগুলোতে জঙ্গী ও মৌলবাদ চক্র আস্তানা গেড়ে বসেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি ফেব্রুয়ারির দিকে হাতীবান্ধা সীমান্তে বোমা বিস্ফোরণ হয়ে একই পরিবারের শিশুসহ সাত জন গুরুতর আহত হয়। তখন এই বোমার উৎস নিয়ে গোয়েন্দারা মাঠে নামে। সমন্বয়হীনতার কারণে শেষ পর্যন্ত বোমা বিস্ফোরণের তথ্যটি ধামাচাপা পড়ে যায়। এদিকে পাটগ্রাম সীমান্তে ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে পরিত্যক্ত অবস্থায় বোমা পাওয়া যায়। শুরু হয়ে যায় হৈ চৈ। পরে জানা যায়, বোমাগুলো বিএসএফের। কিন্তু বিএসএফ কোন দাবি করেনি। সাধারণ সীমান্তে টহল দিতে গিয়ে বিজিবি অথবা বিএসএফ বাহিনীর কোন অস্ত্র, বোমা, টুপস হারিয়ে গেলে বা খোয়া গেলে দুই বাহিনীর মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাত মিটিং করে খোয়া যাওয়া জিনিস উদ্ধারে অভিযান হয়। ফেরত দেয়া হয়। এক্ষেত্রে তা হয়নি। মোগলহাট সীমান্তে পরিত্যক্ত অবস্থায় এর আগে আর্জেস গ্রেনেড পাওয়া যায়।

এই সীমানায় কমপক্ষে ১৮ ফেন্সিডিল তৈরির কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় সরকারীভাবে বিতরণকৃত বাংলাদেশের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি মায়া ও ঝোলাগুড় ব্যবহার করা হয়। সরকারী স্বাস্থ্য কর্মীদের কাছ থেকে ভারতীয় এজেন্টরা এসব মায়া বড়ি সংগ্রহ করে। পরে সুবিধামতো সময় সীমান্তের ওপারে নিয়ে যায়। এক বছর পূর্বে হাতীবান্ধা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মায়া বড়ি পুলিশ উদ্ধার করে। কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়।

কিশোরগঞ্জে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার ওপর হামলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১৫ অক্টোবর ॥ কিশোরগঞ্জে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে না ছাড়ায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক মোহাম্মদ নূরুল আলমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে আহত করলে তাকে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। বুধবার রাতে জেলা কারা ফটকের ভেতরে এ ঘটনাটি ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় শহরের নরসুন্দা লেকসিটির পারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে জেলার তাড়াইলের হাত কাজলা গ্রামের কামরুজ্জামান নিজামের ছেলে প্রান্ত ও সদরের মহিনন্দ কাসুরারচর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে তাইমকে গাঁজাসহ আটক করে। রাতেই জেলা কালেক্টরেটের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের সাঈদ ভ্রামমাণ্য আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক মোহাম্মদ নূরুল আলমের নেতৃত্বে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের জেলা কারাগারে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এ সময় কারা ফটকের ভেতরে একদল সন্ত্রাসী পরিদর্শকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ও পিটিয়ে তাকে আহত করে।

নির্বাচিত সংবাদ