২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উদ্বোধনের অপেক্ষায় শেখ কামাল সেতু ॥ কাজ শেষ পর্যায়ে

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ১৬ অক্টোবর ॥ দক্ষিণ জনপদের পর্যটন এলাকা কলাপাড়ার মানুষ এখন মুখিয়ে আছেন শেখ কামাল সেতুর দ্বার উন্মোচনের অপেক্ষায়। সেতুটির মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে। দুই-চার দিনের মধ্যে শেষ হচ্ছে সংযোগ সড়কের কাজ। চলছে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। আলোর ব্যবস্থার জন্য সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জামাদি পৌঁছে গেছে। কলাপাড়া-কুয়াকাটা মাত্র ২২ কিমি সড়কের তিনটি সেতুর ইতোমধ্যে আলীপুর-মহিপুরে শিববাড়িয়া নদীর ওপরে শেখ রাসেল সেতু চালু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি এটির উদ্বোধন করেছেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী এবং সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা জানান, এ মাসের শেষের দিকেই শেখ কামাল সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। তবে অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, একই সড়কের হাজীপুরে সোনাতলা নদীর ওপরে নির্মাণাধীন অপর শেখ জামাল সেতুর কাজও ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হচ্ছে। একই সঙ্গে দুটি সেতুর দ্বার উন্মোচনেরও চিন্তাভাবনা রয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা শহরঘেঁষা আন্ধারমানিক নদীর ওপরে ৮৯১ দশমিক ৭৬ মিটার দীর্ঘ শেখ কামাল সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ১৯টি স্প্যানের ওপর সেতুটির দুই দিকে রয়েছে ৪০০ মিটার সংযোগ সড়ক। এটির ব্যয়-বরাদ্দ ৬৫ কোটি এক লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

২০১০ সালের মে মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে সময় বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সেতুটির নির্মাণ কাজ একদম শেষ পর্যায়ে। রঙসহ টুকিটাকি কাজ করতে মাত্র ৫-৭ দিন লাগবে, এ তথ্য জানালেন সওজের প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির পান্না মিয়া। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, এ মাসের শেষের দিকে সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবে। এ সেতুর উদ্বোধনের পরে আরও একটি শেখ জামাল সেতু থাকবে উদ্বোধনের অপেক্ষায়। ওই সেতুটি সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে চালু হয়ে যাচ্ছে। ফলে সাগরপারের মানুষ তাদের প্রাপ্তির সঙ্গে প্রত্যাশার মিল খুঁজে পেয়েছে। মুখিয়ে আছেন পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় যাওয়া দর্শনার্থী ও পর্যটক। এখন শুধু কয়েকদিনের কালক্ষেপণ। কখন একই সঙ্গে তিনটি সেতু পার হয়ে পৌঁছবেন প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি কুয়াকাটায়। দেখবেন পুব আকাশে ভোরের সাগর¯œাত সূর্যোদয়, আর সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সাগরের জলরাশিতে ডুবে যাওয়া সূর্যাস্তের দৃশ্য। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার জানান, সেতুর কাজ সম্পন্ন হলেই উদ্বোধনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নির্বাচিত সংবাদ